Hi

০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপে ইরান কি আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে?

ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন যে কৌশল অবলম্বন করছে, তা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অর্থনৈতিক সংকট যত গভীর হচ্ছে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকারের বদলে পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি তত বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানের নেতৃত্ব মনে করছে, এই অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে নেওয়া সম্ভব, তবে এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সমৃদ্ধ অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ সিনা তৌসি মনে করেন, ওয়াশিংটন যত বেশি তৃতীয় দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করবে, ততই তেহরানের সামনে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রণোদনা বাড়বে। ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়ায় যারা অংশ নেবে, তাদেরও যে চড়া মূল্য দিতে হবে, সেটিই হয়তো তেহরান দেখাতে চাইবে।

গত কয়েক মাসে সরাসরি সামরিক সংঘাত কিছুটা স্তিমিত হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখন অর্থনৈতিক ধৈর্যের লড়াই চলছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট সোমবার ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছেন। নতুন এই অভিযানে স্বর্ণ, ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, বিমান চলাচল ও জাহাজ পরিবহন খাতকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যদিও এই চাপ প্রয়োগের বিস্তারিত কৌশল এখনো স্পষ্ট নয়।

এই মার্কিন উদ্যোগের কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করছে তুরস্ক, ইরাক, রাশিয়া ও চীনের মতো ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের অবস্থানের ওপর। ট্রাম্প প্রশাসন এই নতুন অভিযানকে সামরিক পরিভাষায় ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও সামরিক ভাষায় জবাব দিচ্ছে। ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, এই অর্থনৈতিক চাপ ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলারই একটি নতুন পর্যায়।

মঙ্গলবার ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের লজিস্টিক বিভাগের প্রধান মাজিদ ইবন আল-রেজা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনগণের জীবিকা ও নিরাপত্তার ওপর এই চাপ যুদ্ধেরই অংশ, তাই নিজেদের রক্ষায় তারা যুদ্ধের ক্ষেত্র বাড়াতে বাধ্য হবেন। এছাড়া শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করেছেন যে, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগে যোগ দেয়, তবে ওই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও বের হতে দেওয়া হবে না এবং এসব দেশকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভয়াবহ সংকটের মুখে। দেশটির তেলমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে তেল রপ্তানি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। দোনিয়া-ই-এঘতেসাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর থেকে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মান ৪১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মুদ্রার এই দরপতন দেশজুড়ে বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল, যা পরে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে দমন করা হয়।

বর্তমানে ইরানে মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ওষুধের দাম ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা এবং মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে জ্বালানি সংকটও তীব্রতর হয়েছে। ফারসি ভাষার সেবায় প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, পেট্রলপাম্পগুলোতে জ্বালানি না পেয়ে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তবে ইরানের অর্থমন্ত্রী আলি মাদানিজাদেহ দাবি করেছেন, নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তাদের দুই বছরের একটি গোপন পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের মতো দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে সহজে নতি স্বীকার করবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের বিশেষজ্ঞ এলি গেরানমায়েহ মনে করেন, বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিষেধাজ্ঞা মানলেও আন্তসীমান্ত গোপন বাণিজ্য নেটওয়ার্ক পুরোপুরি বন্ধ করা অত্যন্ত কঠিন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হবে সাধারণ ইরানিদের। অর্থনীতিবিদ পেইমান মোলাভি জানান, নিষেধাজ্ঞা অর্থনীতিকে আরও অস্বচ্ছ করে তুলবে, যা ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ছায়া অর্থনীতি থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেবে। বোর্স অ্যান্ড বাজার ফাউন্ডেশনের প্রধান এসফানদিয়ার বাটমাঙ্গেলিদজ মনে করেন, সাধারণ মানুষ এখানে ‘জামানত’ হিসেবে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলি শাবানি যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশলকে ‘বেশ নির্মম’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ইরানিরা মনে করতে পারেন যে সরকারবিরোধী মনোভাব তৈরির জন্য তাদের কষ্ট দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু জানুয়ারির বিক্ষোভ দমনে হাজারো মানুষের মৃত্যুর পর এই হিসাব ইরানিদের কাছে আরও নিষ্ঠুর মনে হতে পারে। সব মিলিয়ে, অর্থনৈতিক সংকট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ইরানের সামনে এখন এক কঠিন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কে দীর্ঘ সময় এই চাপ সহ্য করতে পারবে, আর কে আগে পিছু হটবে—সেটিই বড় প্রশ্ন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে ইরান ও তার মিত্রদের কর্মকাণ্ডে হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব নৌপথে অস্থিরতা বাড়লে তার প্রভাব বিশ্ববাজারেও পড়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ ইরানের অর্থনীতিকে আরো চাপে ফেলবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে কীভাবে এই চাপ প্রয়োগ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

জনপ্রিয়

নেপালে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা: প্রাণহানি ১৬২, নিখোঁজ দেড় হাজার মানুষ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপে ইরান কি আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকছে?

আপডেট : ১০:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন যে কৌশল অবলম্বন করছে, তা উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অর্থনৈতিক সংকট যত গভীর হচ্ছে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকারের বদলে পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি তত বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরানের নেতৃত্ব মনে করছে, এই অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলে নেওয়া সম্ভব, তবে এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সমৃদ্ধ অঞ্চলে সংঘাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ সিনা তৌসি মনে করেন, ওয়াশিংটন যত বেশি তৃতীয় দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য করবে, ততই তেহরানের সামনে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রণোদনা বাড়বে। ইরানকে বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়ায় যারা অংশ নেবে, তাদেরও যে চড়া মূল্য দিতে হবে, সেটিই হয়তো তেহরান দেখাতে চাইবে।

গত কয়েক মাসে সরাসরি সামরিক সংঘাত কিছুটা স্তিমিত হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখন অর্থনৈতিক ধৈর্যের লড়াই চলছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট সোমবার ইরানের ওপর নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ঘোষণা করেছেন। নতুন এই অভিযানে স্বর্ণ, ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, বিমান চলাচল ও জাহাজ পরিবহন খাতকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। যদিও এই চাপ প্রয়োগের বিস্তারিত কৌশল এখনো স্পষ্ট নয়।

এই মার্কিন উদ্যোগের কার্যকারিতা অনেকাংশে নির্ভর করছে তুরস্ক, ইরাক, রাশিয়া ও চীনের মতো ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের অবস্থানের ওপর। ট্রাম্প প্রশাসন এই নতুন অভিযানকে সামরিক পরিভাষায় ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ হিসেবে অভিহিত করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও সামরিক ভাষায় জবাব দিচ্ছে। ইরানের কর্মকর্তাদের দাবি, এই অর্থনৈতিক চাপ ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলারই একটি নতুন পর্যায়।

মঙ্গলবার ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের লজিস্টিক বিভাগের প্রধান মাজিদ ইবন আল-রেজা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনগণের জীবিকা ও নিরাপত্তার ওপর এই চাপ যুদ্ধেরই অংশ, তাই নিজেদের রক্ষায় তারা যুদ্ধের ক্ষেত্র বাড়াতে বাধ্য হবেন। এছাড়া শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করেছেন যে, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগে যোগ দেয়, তবে ওই অঞ্চল থেকে এক ফোঁটা তেলও বের হতে দেওয়া হবে না এবং এসব দেশকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা হবে।

ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে ভয়াবহ সংকটের মুখে। দেশটির তেলমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে তেল রপ্তানি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। দোনিয়া-ই-এঘতেসাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর থেকে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মান ৪১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মুদ্রার এই দরপতন দেশজুড়ে বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল, যা পরে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে দমন করা হয়।

বর্তমানে ইরানে মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ওষুধের দাম ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা এবং মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে জ্বালানি সংকটও তীব্রতর হয়েছে। ফারসি ভাষার সেবায় প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, পেট্রলপাম্পগুলোতে জ্বালানি না পেয়ে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তবে ইরানের অর্থমন্ত্রী আলি মাদানিজাদেহ দাবি করেছেন, নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় তাদের দুই বছরের একটি গোপন পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, চীনের মতো দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে সহজে নতি স্বীকার করবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের বিশেষজ্ঞ এলি গেরানমায়েহ মনে করেন, বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিষেধাজ্ঞা মানলেও আন্তসীমান্ত গোপন বাণিজ্য নেটওয়ার্ক পুরোপুরি বন্ধ করা অত্যন্ত কঠিন।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হবে সাধারণ ইরানিদের। অর্থনীতিবিদ পেইমান মোলাভি জানান, নিষেধাজ্ঞা অর্থনীতিকে আরও অস্বচ্ছ করে তুলবে, যা ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ছায়া অর্থনীতি থেকে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেবে। বোর্স অ্যান্ড বাজার ফাউন্ডেশনের প্রধান এসফানদিয়ার বাটমাঙ্গেলিদজ মনে করেন, সাধারণ মানুষ এখানে ‘জামানত’ হিসেবে ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলি শাবানি যুক্তরাষ্ট্রের এই কৌশলকে ‘বেশ নির্মম’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ইরানিরা মনে করতে পারেন যে সরকারবিরোধী মনোভাব তৈরির জন্য তাদের কষ্ট দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু জানুয়ারির বিক্ষোভ দমনে হাজারো মানুষের মৃত্যুর পর এই হিসাব ইরানিদের কাছে আরও নিষ্ঠুর মনে হতে পারে। সব মিলিয়ে, অর্থনৈতিক সংকট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ইরানের সামনে এখন এক কঠিন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কে দীর্ঘ সময় এই চাপ সহ্য করতে পারবে, আর কে আগে পিছু হটবে—সেটিই বড় প্রশ্ন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে ইরান ও তার মিত্রদের কর্মকাণ্ডে হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বাড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব নৌপথে অস্থিরতা বাড়লে তার প্রভাব বিশ্ববাজারেও পড়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ ইরানের অর্থনীতিকে আরো চাপে ফেলবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে কীভাবে এই চাপ প্রয়োগ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।