Hi

০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উৎসবের আমেজে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন

শুক্রবার সকাল থেকেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছে এক উৎসবমুখর মিলনমেলায়। ছুটির দিনের নিস্তব্ধতা ভেঙে আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান এই নির্বাচনে ৫৭৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করছেন। জুমার নামাজের জন্য দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়েছে।

এফডিসির প্রধান ফটক থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত পুরো এলাকা আজ তারকাদের পদচারণায় মুখর। প্রার্থীরা ভোটারদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন, আবার কখনো সহশিল্পীদের সাথে কুশল বিনিময় ও সেলফিতে স্মৃতি ধরে রাখতে দেখা গেছে তারকাদের। উৎসবের এই আবহে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছেন অভিনেতা শম্ভু সরকার সঞ্জয়। তিনি ব্যান্ড পার্টি ও পালকি নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সবার নজর কেড়েছেন। অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলামসহ অনেক প্রবীণ ও নবীন শিল্পী সকাল সকাল ভোট প্রদান করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। অপর প্যানেল থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন ফাইট ডিরেক্টর ও প্রযোজক মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। দুই প্যানেলের বাইরেও বেশ কয়েকজন শিল্পী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রার্থীরা নির্বাচনের পর সম্মিলিতভাবে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিগত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদে প্রার্থী হননি। এদিকে সদস্যপদ প্রদান নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলচ্চিত্র নির্মাণ কমে যাওয়ার বাস্তবতায় কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তে শিথিল করা হয়েছিল সদস্যপদ পাওয়ার শর্ত। সব মিলিয়ে, চলচ্চিত্র পরিবারের এই নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে এখন কেবলই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিল্পীরা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্ব চলচ্চিত্র শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং শিল্পীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

জুমার দুই খুতবার মাঝে খতিব কেন বসেন? ইসলামি বিধান ও তাৎপর্য

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

উৎসবের আমেজে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন

আপডেট : ১১:০৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

শুক্রবার সকাল থেকেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছে এক উৎসবমুখর মিলনমেলায়। ছুটির দিনের নিস্তব্ধতা ভেঙে আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলমান এই নির্বাচনে ৫৭৩ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আগামী দুই বছরের জন্য শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করছেন। জুমার নামাজের জন্য দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি রাখা হয়েছে।

এফডিসির প্রধান ফটক থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যন্ত পুরো এলাকা আজ তারকাদের পদচারণায় মুখর। প্রার্থীরা ভোটারদের ফুল দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন, আবার কখনো সহশিল্পীদের সাথে কুশল বিনিময় ও সেলফিতে স্মৃতি ধরে রাখতে দেখা গেছে তারকাদের। উৎসবের এই আবহে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছেন অভিনেতা শম্ভু সরকার সঞ্জয়। তিনি ব্যান্ড পার্টি ও পালকি নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সবার নজর কেড়েছেন। অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলামসহ অনেক প্রবীণ ও নবীন শিল্পী সকাল সকাল ভোট প্রদান করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল। একটি প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। অপর প্যানেল থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন ফাইট ডিরেক্টর ও প্রযোজক মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। দুই প্যানেলের বাইরেও বেশ কয়েকজন শিল্পী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রার্থীরা নির্বাচনের পর সম্মিলিতভাবে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিগত মেয়াদের সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবার কোনো পদে প্রার্থী হননি। এদিকে সদস্যপদ প্রদান নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও বিদায়ী কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলচ্চিত্র নির্মাণ কমে যাওয়ার বাস্তবতায় কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তে শিথিল করা হয়েছিল সদস্যপদ পাওয়ার শর্ত। সব মিলিয়ে, চলচ্চিত্র পরিবারের এই নির্বাচনকে ঘিরে এফডিসিতে এখন কেবলই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিল্পীরা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্ব চলচ্চিত্র শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং শিল্পীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।