Hi

১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় আঞ্চলিক সংঘাত কমানোর উপায় এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পেয়েছে। কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সুরক্ষা এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই বলে আমির মত দিয়েছেন। কাতারের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘাত নিরসন ও উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকাতে সংলাপ ও কূটনীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন আমির।

একই সময়ে ইরান তাদের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রস্তাব ওয়াশিংটনের কাছে উত্থাপন করেছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাতারের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন প্রস্তাবটির প্রতিটি দিক পর্যালোচনা করছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে যে, তাদের উত্থাপিত সাতটি সুনির্দিষ্ট দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মূল আলোচনা শুরু হবে না।

ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, বিদেশে জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে কোনো ধরণের প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বর্তমানে কাতার এই দুই দেশের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করছে, তবে শর্তের ভিন্নতা থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো নিশ্চিত নয়।

জয়পুরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ কাতারের আমিরের

আপডেট : ১১:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় আঞ্চলিক সংঘাত কমানোর উপায় এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব পেয়েছে। কাতারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার সুরক্ষা এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে সংলাপের কোনো বিকল্প নেই বলে আমির মত দিয়েছেন। কাতারের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংঘাত নিরসন ও উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকাতে সংলাপ ও কূটনীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন আমির।

একই সময়ে ইরান তাদের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রস্তাব ওয়াশিংটনের কাছে উত্থাপন করেছে। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাতারের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন প্রস্তাবটির প্রতিটি দিক পর্যালোচনা করছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে যে, তাদের উত্থাপিত সাতটি সুনির্দিষ্ট দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মূল আলোচনা শুরু হবে না।

ইরানের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, বিদেশে জব্দ করা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে কোনো ধরণের প্রাথমিক আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যুকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বর্তমানে কাতার এই দুই দেশের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করছে, তবে শর্তের ভিন্নতা থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো নিশ্চিত নয়।