Hi

০২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করা হবে কি না, সেই বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণে কতটা স্বাধীনতা ভোগ করবে, তা নিয়ে ওয়াশিংটনে বিতর্ক চলছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের এই জয় ট্রাম্পের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়াতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ আশঙ্কা করছেন, নতুন কংগ্রেস শপথ নেওয়ার আগের দুই মাসে ট্রাম্প হুট করে বড় ধরনের কোনো সামরিক অভিযান চালিয়ে বসতে পারেন। যদিও অন্য বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যুদ্ধ থেমে যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি ও ভিন্নতা লক্ষ করা গেছে।

একদিকে যেমন তিনি বড় ধরনের অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তেমনি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, আপাতত বড় কোনো হামলার পরিকল্পনা তার নেই। তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত। পলিটিকোকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। অন্যদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তিনি জানান, সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের পেছনে যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। তবে ফক্স নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভিন্ন সুরে কথা বলেন; সেখানে নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের মূল কারণ হিসেবে যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ‘আমার মনে হয়, এর কারণ পেট্রলের দাম।’ তার ভাষায়, ‘প্রয়োজন হলে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’।

আমেরিকান তরুণী অ্যাঞ্জেলার ইসলাম গ্রহণের অভিজ্ঞতার গল্প

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ট্রাম্পের: পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার

আপডেট : ১২:৩১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করা হবে কি না, সেই বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণে কতটা স্বাধীনতা ভোগ করবে, তা নিয়ে ওয়াশিংটনে বিতর্ক চলছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের এই জয় ট্রাম্পের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়াতে পারে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ আশঙ্কা করছেন, নতুন কংগ্রেস শপথ নেওয়ার আগের দুই মাসে ট্রাম্প হুট করে বড় ধরনের কোনো সামরিক অভিযান চালিয়ে বসতে পারেন। যদিও অন্য বিশ্লেষকদের মতে, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যুদ্ধ থেমে যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি ও ভিন্নতা লক্ষ করা গেছে।

একদিকে যেমন তিনি বড় ধরনের অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তেমনি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, আপাতত বড় কোনো হামলার পরিকল্পনা তার নেই। তবে তিনি এও স্পষ্ট করেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত। পলিটিকোকে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল। অন্যদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তিনি জানান, সাম্প্রতিক মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের পেছনে যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। তবে ফক্স নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভিন্ন সুরে কথা বলেন; সেখানে নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের মূল কারণ হিসেবে যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ‘আমার মনে হয়, এর কারণ পেট্রলের দাম।’ তার ভাষায়, ‘প্রয়োজন হলে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’।