Hi

১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চৌহালীতে যমুনা নদীতে অভিযানে কারেন্ট জাল পোড়ানো হলো

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। সোমবার রাতে পরিচালিত এ অভিযানে ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি মাছ উদ্ধার করা হয়।

গোপন সংবাদ পেয়ে সোমবার রাতে স্থানীয় নৌঘাট থেকে বাঘুটিয়া, উমারপুর ও ঘোরজান এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে উদ্ধার হওয়া ৩০ কেজি মাছ স্থানীয় তিনটি এতিমখানায় বিলিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জোতপাড়া নৌঘাট এলাকায় প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে জব্দ করা কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম শফি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম জানান, কারেন্ট জালের অবৈধ ব্যবহার দেশীয় মাছ ও জলজ পরিবেশের ওপর চরম ঝুঁকি তৈরি করে। প্রাকৃতির ভারসাম্য ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের নজরদারি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চৌহালীতে যমুনা নদীতে অভিযানে কারেন্ট জাল পোড়ানো হলো

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

চৌহালীতে যমুনা নদীতে অভিযানে কারেন্ট জাল পোড়ানো হলো

আপডেট : ০৯:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় যমুনা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। সোমবার রাতে পরিচালিত এ অভিযানে ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি মাছ উদ্ধার করা হয়।

গোপন সংবাদ পেয়ে সোমবার রাতে স্থানীয় নৌঘাট থেকে বাঘুটিয়া, উমারপুর ও ঘোরজান এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে উদ্ধার হওয়া ৩০ কেজি মাছ স্থানীয় তিনটি এতিমখানায় বিলিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জোতপাড়া নৌঘাট এলাকায় প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে জব্দ করা কারেন্ট জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম শফি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম জানান, কারেন্ট জালের অবৈধ ব্যবহার দেশীয় মাছ ও জলজ পরিবেশের ওপর চরম ঝুঁকি তৈরি করে। প্রাকৃতির ভারসাম্য ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের নজরদারি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।