কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চার ব্যক্তিকে পাহাড়ে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় দুজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আমতলী এলাকার বাসিন্দা মোক্তার কামাল (৪৮) এবং আলী আকবর (৩০)। টেকনাফে পাহাড়ে তুলে নিয়ে দুজনকে পিটিয়ে হত্যা, আহত আরও ২। এরপর পাহাড়ে নিয়ে তাদের মারধর ও নির্যাতন করা হয়।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী এলাকা থেকে মোক্তার কামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইরান যুদ্ধের কারণেই হেরেছি: জেডি ভ্যান্স। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে পানখালী এলাকায় কয়েকজনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে একই ইউনিয়নের লেচুয়াপ্রাং এলাকার বনাঞ্চল থেকে দুপুর দেড়টার দিকে আলী আকবরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত দুজনের শরীরেই আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত ইলিয়াস (৩৫) এবং আলী আহমদ (৪০) জানান, সোমবার রাতে মিজান নামের এক ব্যক্তি তাদের চারজনকে হ্নীলা পাহাড়ের একটি সশস্ত্র মাদক কারবারি দলের কাছে হস্তান্তর করেন। ছিনতাই হওয়া এক লাখ ইয়াবার চালান থেকে ৩০ হাজার বড়ি নিখোঁজ হওয়ার জেরে ওই গোষ্ঠীটি এই চারজনের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের বিচার করার হুমকি দেয়। স্ত্রীর ছবি নিয়ে বিরোধের জেরে বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড। সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড়। কাছে গিয়ে তারা একজনকে মৃত অবস্থায় পান।
এ বিষয়ে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী ইয়াবা কারবারের অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকেই এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। হামের টিকায় অনিয়ম / অন্তর্বর্তী সরকারের দায়ীদের শনাক্তে তদন্ত কমিশন গঠন। মিসিসিপিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, আলাস্কায় কারচুপির অভিযোগের মধ্যেই ভোট গণনা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে।
ওসি মো. সাইফুল ইসলাম আরও জানান, মাদক কারবারিদের একটি শক্তিশালী চক্র এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে নিহতদের মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনের নাম শনাক্ত করতে পেরেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে বিচারের কথা বলা হয়। হাঁটার গতিই বলে দেবে আপনি কত দিন বাঁচবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর কারাগার থেকে পালিয়ে ছদ্মবেশে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
রিপোর্টার নাম: 

























