Hi

০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইআরজিসি |: উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা অস্ত্র রপ্তানি করছে ইরান

অস্ত্র উৎপাদনে শুধু স্বনির্ভরতাই অর্জন করেনি ইরান, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে দাবি করেছে দেশটি। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি ও সাফল্যের বিভিন্ন দিক উন্মোচন করেন। তিনি জানান, ইরান এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

মোহেব্বির দাবি অনুযায়ী, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ও আইআরজিসি এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ২৬০টিরও বেশি সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে এফ-১৬, এফ-৩৫ ও এফ-১৮-এর মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্সের সক্ষমতা এতটাই বেড়েছে যে, তা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফএডি ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকেও অকার্যকর করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

সামরিক প্রযুক্তির এই নতুন উৎকর্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমানে ইরানের কাছে এমন অনেক প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা রয়েছে যা আগে কখনো প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দেশটিকে নতুন করে যুদ্ধের পথে ফিরতে হলে চরম মূল্য দিতে হবে। নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এই জোরালো বার্তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে ফিরে আসে, তাহলে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী |: গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়বে, মোবাইল বিলও দেবে সরকার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আইআরজিসি |: উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা অস্ত্র রপ্তানি করছে ইরান

আপডেট : ০৩:৪৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

অস্ত্র উৎপাদনে শুধু স্বনির্ভরতাই অর্জন করেনি ইরান, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে দাবি করেছে দেশটি। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি ও সাফল্যের বিভিন্ন দিক উন্মোচন করেন। তিনি জানান, ইরান এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

মোহেব্বির দাবি অনুযায়ী, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ও আইআরজিসি এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ২৬০টিরও বেশি সামরিক বিমান ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে এফ-১৬, এফ-৩৫ ও এফ-১৮-এর মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমানও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্সের সক্ষমতা এতটাই বেড়েছে যে, তা যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফএডি ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকেও অকার্যকর করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

সামরিক প্রযুক্তির এই নতুন উৎকর্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বর্তমানে ইরানের কাছে এমন অনেক প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা রয়েছে যা আগে কখনো প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দেশটিকে নতুন করে যুদ্ধের পথে ফিরতে হলে চরম মূল্য দিতে হবে। নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এই জোরালো বার্তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে ফিরে আসে, তাহলে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।