Hi

১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মজুরি বৃদ্ধির আশ্বাসে কাজে ফিরলেন গাজীপুরের পোশাক শ্রমিকরা

টানা কয়েক দিনের অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষের পর গাজীপুরের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা আবারও কর্মস্থলে ফিরেছেন। নতুন মজুরি বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশে মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের সম্মতির পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়। এই ঘোষণার ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় সচল হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চলসহ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে কোনাবাড়ী, শফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা, বাসন সড়ক, টঙ্গী, সালনা ও বাংলাবাজারসহ শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিতে দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত এসব এলাকায় নতুন কোনো বিক্ষোভ বা সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন মজুরি কাঠামো আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর হবে এবং শ্রমিকেরা জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন হাতে পাবেন। এই প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রেখেই শ্রমিকেরা তাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

পরিস্থিতির বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, বর্তমানে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য নেই। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে শিল্প পুলিশের সদস্যরা অবস্থান করছেন। গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন জানিয়েছেন, আজও নিরাপত্তা বজায় রাখতে শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি, ৮ প্লাটুন এসআরবি এবং ৫ প্লাটুন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ যৌথভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছে। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবুও ঘোষিত মজুরি কাঠামো সময়মতো বাস্তবায়ন, বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং শ্রমিকদের কর্মনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন কতটা স্বচ্ছ হয়, তার ওপরই শিল্পাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে।

মজুরি বৃদ্ধির আশ্বাসে কাজে ফিরলেন গাজীপুরের পোশাক শ্রমিকরা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মজুরি বৃদ্ধির আশ্বাসে কাজে ফিরলেন গাজীপুরের পোশাক শ্রমিকরা

আপডেট : ১০:০১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

টানা কয়েক দিনের অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষের পর গাজীপুরের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা আবারও কর্মস্থলে ফিরেছেন। নতুন মজুরি বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির সুপারিশে মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের সম্মতির পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়। এই ঘোষণার ফলে কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় সচল হয়েছে এবং শিল্পাঞ্চলসহ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে কোনাবাড়ী, শফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ, চন্দ্রা, বাসন সড়ক, টঙ্গী, সালনা ও বাংলাবাজারসহ শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দিতে দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত এসব এলাকায় নতুন কোনো বিক্ষোভ বা সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন মজুরি কাঠামো আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর হবে এবং শ্রমিকেরা জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বেতন হাতে পাবেন। এই প্রতিশ্রুতির ওপর আস্থা রেখেই শ্রমিকেরা তাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

পরিস্থিতির বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, বর্তমানে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য নেই। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে শিল্প পুলিশের সদস্যরা অবস্থান করছেন। গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন জানিয়েছেন, আজও নিরাপত্তা বজায় রাখতে শিল্পাঞ্চলে ১২ প্লাটুন বিজিবি, ৮ প্লাটুন এসআরবি এবং ৫ প্লাটুন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ যৌথভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করছে। যদিও বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবুও ঘোষিত মজুরি কাঠামো সময়মতো বাস্তবায়ন, বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং শ্রমিকদের কর্মনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন কতটা স্বচ্ছ হয়, তার ওপরই শিল্পাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে।