Hi

০১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বদলাতে পারে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নতুন আদলে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে, যা আগামী ৯ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে। মূলত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রচলিত ধারাবাহিকতা বদলে নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এটি ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা না হয়ে নবম নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক—এই তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। প্রস্তাবিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান—এই চারটি বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে বিভাজন করার কথা বলা হয়েছে। এমসিকিউ পদ্ধতির এই প্রথম ধাপের পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং পাসের হার নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ৪০ শতাংশ।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দ্বিতীয় ধাপে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় বসতে হবে, যার সময়সীমা হবে তিন ঘণ্টা। এরপর লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের তৃতীয় ধাপে ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এই পুরো পরীক্ষা পদ্ধতি, নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস এখনো চূড়ান্ত নয়। বিধিমালা সংশোধন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরই বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হবে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর চার মাস পর ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একটি দীর্ঘ বিরতির পর এনটিআরসিএ এখন নতুন নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে কাজ করছে, যেখানে প্রার্থীদের কেবল যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন আসার পর বিস্তারিত সিলেবাস ও সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। এবার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার ডিসির আশ্বাসে

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বদলাতে পারে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

আপডেট : ১২:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নতুন আদলে নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে, যা আগামী ৯ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে। মূলত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রচলিত ধারাবাহিকতা বদলে নতুন করে নিয়োগ পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এটি ১৯তম নিবন্ধন পরীক্ষা না হয়ে নবম নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক—এই তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। প্রস্তাবিত প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান—এই চারটি বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে বিভাজন করার কথা বলা হয়েছে। এমসিকিউ পদ্ধতির এই প্রথম ধাপের পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং পাসের হার নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ৪০ শতাংশ।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দ্বিতীয় ধাপে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় বসতে হবে, যার সময়সীমা হবে তিন ঘণ্টা। এরপর লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের তৃতীয় ধাপে ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এই পুরো পরীক্ষা পদ্ধতি, নম্বর বণ্টন ও সিলেবাস এখনো চূড়ান্ত নয়। বিধিমালা সংশোধন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরই বিষয়গুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হবে।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছিল এবং এর চার মাস পর ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একটি দীর্ঘ বিরতির পর এনটিআরসিএ এখন নতুন নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে কাজ করছে, যেখানে প্রার্থীদের কেবল যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন আসার পর বিস্তারিত সিলেবাস ও সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। এবার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আসছে।