নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত সাহেব আলী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওয়াপদা কলোনি এলাকার ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রনি ও আসলাম নামে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় ইত্তেহাদ টাওয়ারের সামনে সাহেব আলীকে গুলি করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার সময় তিনি উত্তেজিত অবস্থায় ছিলেন। একপর্যায়ে রনি তাকে লক্ষ্য করে মাথায় গুলি করেন। গুলিবিদ্ধ সাহেব আলী পাশের একটি খালে পড়ে গেলে তাকে লক্ষ্য করে আরও দুটি গুলি ছোড়া হয়। সব মিলিয়ে তিনটি গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।
নিহতের বিরুদ্ধে ২০ মামলা
- ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সাতটি মামলা।
- মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত দুটি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি মামলা।
- সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও নাশকতার তিনটি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার পাঁচটি মামলা।
- আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের ছদ্মবেশে ডাকাতির দুটি মামলা।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, নিহত সাহেব আলীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ২০টি মামলা বিচারাধীন ছিল। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
রিপোর্টার নাম: 
























