Hi

১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু নিপীড়নের প্রতিবাদকারী শাহজালাল রুমির খোঁজ মিলছে না

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:৪৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছে

গাজীপুরের টঙ্গীতে ক্বারিউল কুরআন মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন শাহজালাল রুমি। তবে ঘটনার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে টঙ্গীর আউচপড়া এলাকার শফিউদ্দিন একাডেমি রোডের ১৩০ নম্বর বাড়ির ৭৪/১ হোল্ডিংয়ের ৬/বি নম্বর ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখা গেছে, সেটি তালাবদ্ধ রয়েছে।

বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবার গত শুক্রবার থেকেই বাসায় নেই। শাহজালাল রুমি মাঝেমধ্যে এই বাসায় আসতেন। তত্ত্বাবধায়কের ভাষ্যমতে, রুমি বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী ও পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য তার কাছে নেই। রুমির শ্বশুর আলহাজ মোকারম আলী মুঠোফোনে জানান, রুমি দেশে নাকি বিদেশে আছেন তা তার জানা নেই। তারা নিজেরাও আগের বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

এ বিষয়ে সোমবার রাতে হোয়াসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে রুমি এক বার্তায় সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এখন আর এই দেশে নেই। তাই এসব বিষয় নিয়ে তিনি আর ভাবছেন না এবং সবাইকে ভালো থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। যদিও টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, শাহজালাল রুমি বর্তমানে দেশে আছেন নাকি বিদেশে, তা পুলিশের জানা নেই। তবে তার বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওই শিক্ষক কর্তৃক শিশুটিকে চুমু দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ওসি জানান, তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে হোয়াটসঅ্যাপে এক প্রশ্নের জবাবে সোমবার রাতে এক খুদে বার্তায় রুমি সাংবাদিকদের জানান, ‘ভাই, আমি এই দেশেই আর নাই; সুতরাং আমি এগুলো নিয়ে আর ভাবছি না।

প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর পরপরই রুমি বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি মামলা করা হয়, যেখানে রুমির বিরুদ্ধে মাদরাসা ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে সরকারি ও বেসরকারি খাতে একাধিক সমঝোতা সই

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শিশু নিপীড়নের প্রতিবাদকারী শাহজালাল রুমির খোঁজ মিলছে না

আপডেট : ০৫:৪৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে ক্বারিউল কুরআন মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মোসলেম উদ্দিনকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন শাহজালাল রুমি। তবে ঘটনার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে টঙ্গীর আউচপড়া এলাকার শফিউদ্দিন একাডেমি রোডের ১৩০ নম্বর বাড়ির ৭৪/১ হোল্ডিংয়ের ৬/বি নম্বর ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখা গেছে, সেটি তালাবদ্ধ রয়েছে।

বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবার গত শুক্রবার থেকেই বাসায় নেই। শাহজালাল রুমি মাঝেমধ্যে এই বাসায় আসতেন। তত্ত্বাবধায়কের ভাষ্যমতে, রুমি বর্তমানে দ্বিতীয় স্ত্রী ও পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য তার কাছে নেই। রুমির শ্বশুর আলহাজ মোকারম আলী মুঠোফোনে জানান, রুমি দেশে নাকি বিদেশে আছেন তা তার জানা নেই। তারা নিজেরাও আগের বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

এ বিষয়ে সোমবার রাতে হোয়াসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে রুমি এক বার্তায় সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এখন আর এই দেশে নেই। তাই এসব বিষয় নিয়ে তিনি আর ভাবছেন না এবং সবাইকে ভালো থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। যদিও টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, শাহজালাল রুমি বর্তমানে দেশে আছেন নাকি বিদেশে, তা পুলিশের জানা নেই। তবে তার বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ওই শিক্ষক কর্তৃক শিশুটিকে চুমু দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ওসি জানান, তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে হোয়াটসঅ্যাপে এক প্রশ্নের জবাবে সোমবার রাতে এক খুদে বার্তায় রুমি সাংবাদিকদের জানান, ‘ভাই, আমি এই দেশেই আর নাই; সুতরাং আমি এগুলো নিয়ে আর ভাবছি না।

প্রসঙ্গত, গত ২১ অক্টোবর মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক মো. মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর পরপরই রুমি বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে মাদরাসার অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে পাল্টা একটি মামলা করা হয়, যেখানে রুমির বিরুদ্ধে মাদরাসা ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।