Hi

০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু: জড়িতদের ধরতে মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে খোরশেদ আলম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। স্থানীয় খান বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে খোরশেদ পেশায় মাটির ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা ছিল বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে হাসপাতালে নিতে নিতে সব শেষ হয়ে যায়। লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে মা ও দুই মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা।

নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী আকলিমা আক্তার জানান, দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুজন ব্যক্তি তাঁর স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পরই গুলির শব্দ শুনে তিনি দৌড়ে গিয়ে দেখেন, স্বামীর বুকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আকলিমার অভিযোগ, ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি মাটির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আগেও তাঁর স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছিলেন। এখন পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা, পরিবারের অন্য সদস্যরাও হামলার শিকার হতে পারেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খোরশেদের বুকের দিকে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পর অপরাধীদের শনাক্ত করতে ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার মাত্র তিন দিন আগে গত রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামে জাকির হোসেন নামের আরেক যুবক নিহত হন। ওই এলাকার একটি সুপারিবাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের। জাকির হোসেনের বিরুদ্ধেও অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা ছিল বলে জানা গেছে। দুই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে। এ নিয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুজনকে খুন করা হয়। মা ও তিন মেয়ে খুনের কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানো ছাড়া বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু: জড়িতদের ধরতে মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেট : ০৬:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হাতে খোরশেদ আলম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলসাদপুর গ্রামে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। স্থানীয় খান বাড়ির রুহুল আমিনের ছেলে খোরশেদ পেশায় মাটির ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ একাধিক মামলা ছিল বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে হাসপাতালে নিতে নিতে সব শেষ হয়ে যায়। লক্ষ্মীপুরে বাসায় ঢুকে মা ও দুই মেয়েকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা।

নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী আকলিমা আক্তার জানান, দুপুরে মোরশেদ ও মজিদ নামের দুজন ব্যক্তি তাঁর স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পরই গুলির শব্দ শুনে তিনি দৌড়ে গিয়ে দেখেন, স্বামীর বুকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আকলিমার অভিযোগ, ওয়ালিদ নামের এক ব্যক্তি মাটির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আগেও তাঁর স্বামীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছিলেন। এখন পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। তাঁর আশঙ্কা, পরিবারের অন্য সদস্যরাও হামলার শিকার হতে পারেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খোরশেদের বুকের দিকে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পর অপরাধীদের শনাক্ত করতে ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার মাত্র তিন দিন আগে গত রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামে জাকির হোসেন নামের আরেক যুবক নিহত হন। ওই এলাকার একটি সুপারিবাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের। জাকির হোসেনের বিরুদ্ধেও অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা ছিল বলে জানা গেছে। দুই ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে। এ নিয়ে তিন দিনের ব্যবধানে দুজনকে খুন করা হয়। মা ও তিন মেয়ে খুনের কারণ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা।