Hi

০১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আহত ২৪ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ হয়। এই ভয়াবহ হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জন প্রবাসী কর্মী এবং ১৩ জন ওমরাহ ভিসাধারী। এর আগে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় জানিয়েছিল। তাঁদের একজন বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আহম্মেদ। তিনি রিয়াদের ‘সাদ আল ঈসা কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির’ জেদ্দা প্রজেক্টে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর ছুটিতে দেশে আসার পর তিনি রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। অন্যজন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের ওমরাহযাত্রী নাসরুল্লাহ বদরপুরি। তিনি ট্রানজিটে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ ছিলেন। রিয়াদের অন্তত ১১টি হাসপাতালে বর্তমানে আহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দূতাবাস প্রতিনিধিরা দেখা করে তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন; বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাংলাদেশিদের তালিকা

  • কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতাল (আইসিইউ): হাফেজ হাসান (কামরাঙ্গীরচর), কাজী নুরুল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. ওমর ফারুক (প্রবাসী কর্মী)।
  • ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতাল: সাফফাত রহমান (রাণীনগর) এবং দাউদুল ইসলাম (নাঙ্গলকোট); দুজনই ওমরাহ ভিসায় ট্রানজিটে ছিলেন।
  • রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতাল: সাইদুল ইসলাম সৌরভ (লালবাগ) এবং আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন (মিরপুর); তাঁরা ওমরাহ শেষে রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
  • প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতাল: আব্দুল্লাহ (ডেমরা)।
  • সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতাল (তাখাসসুসি): আরমান হোসেন, মোহাম্মদ এবং ফয়সাল আহমদ আব্দুল হক।
  • কিংডম হাসপাতাল: রফিক মিয়া।
  • কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটি হাসপাতাল: ইসমাইল হোসাইন, মিসবাহ উদ্দীন হীরক ও মো. রায়হানুল ইসলাম।
  • প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতাল: সালমা আক্তার, শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ ও সোবহে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।
  • এস্টার সনদ হাসপাতাল: আসাদুল ইসলাম ও জামাল।
  • সুলাইমান ফকিহ হাসপাতাল: নাজমা আক্তার।
  • সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতাল (আলসাহাফা): উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল।

নিখোঁজ ছেলের অপেক্ষায় প্রয়াত অভিনেত্রী নাসিমা খান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আহত ২৪ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

আপডেট : ১২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালের ওপর একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণ হয়। এই ভয়াবহ হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জন প্রবাসী কর্মী এবং ১৩ জন ওমরাহ ভিসাধারী। এর আগে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় জানিয়েছিল। তাঁদের একজন বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আহম্মেদ। তিনি রিয়াদের ‘সাদ আল ঈসা কন্ট্রাক্টিং কোম্পানির’ জেদ্দা প্রজেক্টে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর ছুটিতে দেশে আসার পর তিনি রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। অন্যজন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের ওমরাহযাত্রী নাসরুল্লাহ বদরপুরি। তিনি ট্রানজিটে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ ছিলেন। রিয়াদের অন্তত ১১টি হাসপাতালে বর্তমানে আহত বাংলাদেশিরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দূতাবাস প্রতিনিধিরা দেখা করে তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন; বর্তমানে তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাংলাদেশিদের তালিকা

  • কিং আব্দুল্লাহ হাসপাতাল (আইসিইউ): হাফেজ হাসান (কামরাঙ্গীরচর), কাজী নুরুল্লাহ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. ওমর ফারুক (প্রবাসী কর্মী)।
  • ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতাল: সাফফাত রহমান (রাণীনগর) এবং দাউদুল ইসলাম (নাঙ্গলকোট); দুজনই ওমরাহ ভিসায় ট্রানজিটে ছিলেন।
  • রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতাল: সাইদুল ইসলাম সৌরভ (লালবাগ) এবং আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন (মিরপুর); তাঁরা ওমরাহ শেষে রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।
  • প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতাল: আব্দুল্লাহ (ডেমরা)।
  • সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতাল (তাখাসসুসি): আরমান হোসেন, মোহাম্মদ এবং ফয়সাল আহমদ আব্দুল হক।
  • কিংডম হাসপাতাল: রফিক মিয়া।
  • কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটি হাসপাতাল: ইসমাইল হোসাইন, মিসবাহ উদ্দীন হীরক ও মো. রায়হানুল ইসলাম।
  • প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতাল: সালমা আক্তার, শাহাদাত হোসেন, মোশাহিদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ ও সোবহে সাদেক মো. শাহজাহান সরকার।
  • এস্টার সনদ হাসপাতাল: আসাদুল ইসলাম ও জামাল।
  • সুলাইমান ফকিহ হাসপাতাল: নাজমা আক্তার।
  • সুলাইমান আলহাবিব হাসপাতাল (আলসাহাফা): উমায়ের ও আব্দুল্লাহ কামিল।