Hi

০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল দিল্লি, আটক ৭০০০

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০২:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ জন দেখেছে

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার দিল্লির রাজপথ কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন। দিল্লিকে সুরক্ষিত দুর্গে পরিণত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। পুরো শহরজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে কার্যত অচল হয়ে পড়ে জনজীবন। এতে বলা হয়, এসআইআর-সম্পর্কিত অনেকগুলো সিদ্ধান্ত অন্য দুজন কমিশনারের মতামত উপেক্ষা করে জ্ঞানেশ কুমার নিজে নেন।

বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ অত্যন্ত কঠোর ভূমিকা পালন করে। সাবেক চার মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্তত সাত হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আটকদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সিপিআই (এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ বামপন্থি নেত্রী বৃন্দা কারাত, সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব। অনেকে এই পরিস্থিতিকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ বলে বর্ণনা করেছেন। যানজটের আশঙ্কায় ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনগামী সব মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়।

বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র যন্তর মন্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয় এবং গণপরিবহনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। দিল্লির মেট্রোরেলের ৫৭টি স্টেশনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ৪৫টিতে নামিয়ে আনা হয়। ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী নিষিদ্ধ জমায়েত ও মিছিলের সতর্কবার্তা লাউডস্পিকারে প্রচার করা হয়। যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়া অল্প কিছু বিক্ষোভকারীকেও ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ আটক করে বাসে তুলে নেয়। বসানো হয় ব্যারিকেড ও কাঁটাতারের স্পাইক স্ট্রিপ। বন্ধ রাখা হয় দিল্লির প্রায় অর্ধশত মেট্রোরেল স্টেশন। বিক্ষোভের একদিন আগে থেকেই অন্যান্য প্রদেশ থেকে রাজধানীতে যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে লাউডস্পিকারে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় সতর্কবার্তা প্রচার করা হয়। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সহিংসতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারায় নিষিদ্ধ জমায়েত, মিছিল, সড়ক অবরোধ ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলা হয় এসব বার্তায়।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির শীর্ষ নেতাদের বিমান থেকে নামার পরপরই আটক করা হয়। এছাড়াও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি ও দলটির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিংকেও আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এবং তাদের যন্ত্রপাতিও জব্দ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুপ্রিম কোর্ট ও পাতিয়ালা হাউস আদালতের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে চার শতাধিক আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমের বিরুদ্ধে গত ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে সিজেপি ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচির ডাক দেয়। তাদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন বিজেপির স্বার্থে বিপুলসংখ্যক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনেও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সিইসির সঙ্গে অধীনস্থ কর্মকর্তাদের মতবিরোধের তথ্য উঠে এসেছে। গত ৩ থেকে ৮ অক্টোবর ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল।

দিল্লিতে বিক্ষোভরতদের আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি অভিযোগ করেন, মোদি সরকার ভারতকে ‘বোবা গণতন্ত্রে’ রূপান্তর করছে। এছাড়া অরবিন্দ কেজরিওয়াল আটকের আগে এক বক্তব্যে দাবি করেন, দেশটিতে এখন চরম স্বৈরাচারী শাসন চলছে। শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক সবাইকে মুক্তি না দিলে তিনি অনশনে বসবেন।

এদিকে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটও নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষায় আগামীকাল সোমবার দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানানো হবে। অন্যদিকে, সিজেপি জানিয়েছে, শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পরও আন্দোলন থেমে থাকবে না। দলটির নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে পরবর্তী প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন।

দিল্লির যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননার একটি আবেদন করা হয়েছে, যার শুনানি আজ রোববার হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২৫ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলে সিজেপি আন্দোলন স্থগিত করেছিল, তবে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে তারা আবারও রাজপথে নেমেছে। সংগঠনের দাবি, সরকার এক অসাধু আমলাকে বাঁচাতে পুরো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করছে। কনট প্লেস মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক তরুণ হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জনপ্রিয়

কুমিল্লায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: অটোরিকশাচালকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল দিল্লি, আটক ৭০০০

আপডেট : ০২:২২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার দিল্লির রাজপথ কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন। দিল্লিকে সুরক্ষিত দুর্গে পরিণত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৪০ হাজারেরও বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। পুরো শহরজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে কার্যত অচল হয়ে পড়ে জনজীবন। এতে বলা হয়, এসআইআর-সম্পর্কিত অনেকগুলো সিদ্ধান্ত অন্য দুজন কমিশনারের মতামত উপেক্ষা করে জ্ঞানেশ কুমার নিজে নেন।

বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ অত্যন্ত কঠোর ভূমিকা পালন করে। সাবেক চার মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্তত সাত হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আটকদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সিপিআই (এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, প্রবীণ বামপন্থি নেত্রী বৃন্দা কারাত, সিপিআই (এমএল) লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এবং সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব। অনেকে এই পরিস্থিতিকে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ বলে বর্ণনা করেছেন। যানজটের আশঙ্কায় ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনগামী সব মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়।

বিক্ষোভের প্রধান কেন্দ্র যন্তর মন্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যারিকেড বসানো হয় এবং গণপরিবহনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। দিল্লির মেট্রোরেলের ৫৭টি স্টেশনে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে ৪৫টিতে নামিয়ে আনা হয়। ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা অনুযায়ী নিষিদ্ধ জমায়েত ও মিছিলের সতর্কবার্তা লাউডস্পিকারে প্রচার করা হয়। যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়া অল্প কিছু বিক্ষোভকারীকেও ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ আটক করে বাসে তুলে নেয়। বসানো হয় ব্যারিকেড ও কাঁটাতারের স্পাইক স্ট্রিপ। বন্ধ রাখা হয় দিল্লির প্রায় অর্ধশত মেট্রোরেল স্টেশন। বিক্ষোভের একদিন আগে থেকেই অন্যান্য প্রদেশ থেকে রাজধানীতে যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে লাউডস্পিকারে হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় সতর্কবার্তা প্রচার করা হয়। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সহিংসতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারায় নিষিদ্ধ জমায়েত, মিছিল, সড়ক অবরোধ ও অন্যান্য কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলা হয় এসব বার্তায়।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির শীর্ষ নেতাদের বিমান থেকে নামার পরপরই আটক করা হয়। এছাড়াও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি ও দলটির আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিংকেও আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এবং তাদের যন্ত্রপাতিও জব্দ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সুপ্রিম কোর্ট ও পাতিয়ালা হাউস আদালতের সামনে বিক্ষোভ চলাকালে চার শতাধিক আইনজীবীকেও আটক করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমের বিরুদ্ধে গত ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে সিজেপি ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচির ডাক দেয়। তাদের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন বিজেপির স্বার্থে বিপুলসংখ্যক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনেও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে সিইসির সঙ্গে অধীনস্থ কর্মকর্তাদের মতবিরোধের তথ্য উঠে এসেছে। গত ৩ থেকে ৮ অক্টোবর ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরে এ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল।

দিল্লিতে বিক্ষোভরতদের আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি অভিযোগ করেন, মোদি সরকার ভারতকে ‘বোবা গণতন্ত্রে’ রূপান্তর করছে। এছাড়া অরবিন্দ কেজরিওয়াল আটকের আগে এক বক্তব্যে দাবি করেন, দেশটিতে এখন চরম স্বৈরাচারী শাসন চলছে। শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক হুশিয়ারি দিয়েছেন যে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আটক সবাইকে মুক্তি না দিলে তিনি অনশনে বসবেন।

এদিকে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটও নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষায় আগামীকাল সোমবার দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানানো হবে। অন্যদিকে, সিজেপি জানিয়েছে, শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পরও আন্দোলন থেমে থাকবে না। দলটির নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে পরবর্তী প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন।

দিল্লির যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননার একটি আবেদন করা হয়েছে, যার শুনানি আজ রোববার হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ২৫ জুলাই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলে সিজেপি আন্দোলন স্থগিত করেছিল, তবে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে তারা আবারও রাজপথে নেমেছে। সংগঠনের দাবি, সরকার এক অসাধু আমলাকে বাঁচাতে পুরো রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করছে। কনট প্লেস মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক তরুণ হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।