ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে রোববার বিকেলে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এদিন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানির সময় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে দফায় দফায় হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, একদিনের রিমান্ড শেষে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রোববার দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। দুপুর দুইটার পর তাকে এজলাসে তোলা হলে, এজলাসের ভেতরে অবস্থান নেওয়া নিয়ে দুপক্ষের আইনজীবীদের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে বিষয়টি হাতাহাতির পর্যায়ে গড়ায়।
এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে বিচারক এজলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরে পরিবেশ শান্ত হলে বিচারিক কার্যক্রম আবার শুরু হয় এবং উভয়পক্ষের আইনজীবীরা তাদের আইনি যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই দিনে আদালত প্রাঙ্গণে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মধ্যে এমপি গাজী নজরুলের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রীর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। অন্যদিকে, মালয়েশিয়ায় দশ হাজার শ্রমিক পাঠানোর সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী। আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর।
এদিন সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি পণ্যমূল্য সংক্রান্ত নির্দেশনায় দেখা যায়, এলপিজির দাম ২৫২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদমুখী পিটিআইয়ের পদযাত্রার খবরও শোনা যাচ্ছে।
আইনজীবীদের এই বিরোধের ঘটনাটি আদালত চত্বরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিচারিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আইনজীবীদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
রিপোর্টার নাম: 

























