Hi

১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ১৫০ কিমি গতিতে

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তির ১২ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর সরাসরি বড় ধরনের কোনো প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাইসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতি আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। তিনি জানান, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে বুধবার থেকে দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও, নতুন করে শীতের আমেজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে কার্তিক মাস হওয়ায় ভোররাতে হালকা শীত বা কুয়াশার আবহ থাকা স্বাভাবিক। নভেম্বর মাসের শেষ দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নভেম্বরের শেষের দিকে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগরের পরিবেশ খুবই বিক্ষুব্ধ থাকায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ১৫০ কিমি গতিতে

আপডেট : ১০:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তির ১২ নম্বর বুলেটিনে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৩০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর সরাসরি বড় ধরনের কোনো প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের মিরসরাইসহ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতি আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। তিনি জানান, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে বুধবার থেকে দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও, নতুন করে শীতের আমেজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে কার্তিক মাস হওয়ায় ভোররাতে হালকা শীত বা কুয়াশার আবহ থাকা স্বাভাবিক। নভেম্বর মাসের শেষ দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নভেম্বরের শেষের দিকে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগরের পরিবেশ খুবই বিক্ষুব্ধ থাকায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।