Hi

১২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু বিভাগে ডিগ্রিহীন অধ্যাপককে প্রধানের দায়িত্ব

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১১:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ জন দেখেছে

শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (আইসিএমএইচ) শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডা. আ.ন.ম. নুরুল হক ভূঁইয়া। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আইসিএমএইচের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নুরুল হক ভূঁইয়াকে নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তবে এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, ডা. নুরুল হক ভূঁইয়া শিশু বিভাগের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নন এবং এই বিশেষায়িত বিষয়ে তার কোনো উচ্চতর ডিগ্রিও নেই। এছাড়া একই বিভাগে তার চেয়েও জ্যেষ্ঠ বিসিএস কর্মকর্তা কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাকেই এই পদে বসানোর সিদ্ধান্তটি নিয়ে নানা মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জ্যেষ্ঠতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষায়িত যোগ্যতা বিবেচনায় নিয়োগ না দেওয়ার কারণে এই প্রশ্ন উঠছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের একাংশের।

নুরুল হক ভূঁইয়া ২১তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। তার সরকারি কর্মকর্তা কোড ১০৯৯৫১ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন কোড ২৪১৯০। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। স্বাচিপের নারায়ণগঞ্জ শাখার সদস্য হিসেবে তার বিপরীতে জিএম৪৬০১এম (GM4601M) ও সি০০৯৯৪১১৪০৪১ (C00994114041) নম্বরগুলো উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অতীতে স্বাচিপের সদস্য হওয়ার কারণে ডা. নুরুল হক ভূঁইয়ার পদোন্নতি আটকে গিয়েছিল, যা পরে বিভিন্ন মহলে তদবিরের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত করেন। তবে এ ধরনের অভিযোগের সপক্ষে কোনো সরকারি নথি বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইসিএমএইচের অফিস আদেশেও তার যোগ্যতা কিংবা জ্যেষ্ঠতার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ডা. নুরুল হক ভূঁইয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এছাড়া তাকে পাঠানো খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শিশু বিভাগে ডিগ্রিহীন অধ্যাপককে প্রধানের দায়িত্ব

আপডেট : ১১:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (আইসিএমএইচ) শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডা. আ.ন.ম. নুরুল হক ভূঁইয়া। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আইসিএমএইচের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যাওয়ায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নুরুল হক ভূঁইয়াকে নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তবে এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, ডা. নুরুল হক ভূঁইয়া শিশু বিভাগের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নন এবং এই বিশেষায়িত বিষয়ে তার কোনো উচ্চতর ডিগ্রিও নেই। এছাড়া একই বিভাগে তার চেয়েও জ্যেষ্ঠ বিসিএস কর্মকর্তা কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাকেই এই পদে বসানোর সিদ্ধান্তটি নিয়ে নানা মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জ্যেষ্ঠতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষায়িত যোগ্যতা বিবেচনায় নিয়োগ না দেওয়ার কারণে এই প্রশ্ন উঠছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের একাংশের।

নুরুল হক ভূঁইয়া ২১তম বিসিএসের একজন কর্মকর্তা। তার সরকারি কর্মকর্তা কোড ১০৯৯৫১ এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন কোড ২৪১৯০। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। স্বাচিপের নারায়ণগঞ্জ শাখার সদস্য হিসেবে তার বিপরীতে জিএম৪৬০১এম (GM4601M) ও সি০০৯৯৪১১৪০৪১ (C00994114041) নম্বরগুলো উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অতীতে স্বাচিপের সদস্য হওয়ার কারণে ডা. নুরুল হক ভূঁইয়ার পদোন্নতি আটকে গিয়েছিল, যা পরে বিভিন্ন মহলে তদবিরের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত করেন। তবে এ ধরনের অভিযোগের সপক্ষে কোনো সরকারি নথি বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইসিএমএইচের অফিস আদেশেও তার যোগ্যতা কিংবা জ্যেষ্ঠতার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ডা. নুরুল হক ভূঁইয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। এছাড়া তাকে পাঠানো খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।