Hi

০৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন দেড় হাজার নাগরিক

গৃহযুদ্ধে অস্থিতিশীল মিয়ানমারে মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দেড় হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। রোববার মিয়ানমার নৌবাহিনীর একটি জাহাজে করে তাদের থানলিন নৌঘাঁটিতে নেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অভিবাসন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তাদের একটি বৌদ্ধ মঠের হলঘরে স্থানান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘদিন আটককেন্দ্রে বন্দি থাকার পর দেশে ফেরা এসব মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেছিলেন যে, মোট ৫ হাজার মিয়ানমার অভিবাসীকে পর্যায়ক্রমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই প্রথম ধাপে দেড় হাজার মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো। তবে কুয়ালালামপুর এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি যে, ফেরত পাঠানো এই দলে কোনো রোহিঙ্গা নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন কি না।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ব্যাপক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ বন্দিদশা ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে এই অভিবাসীদের সামনে অন্য কোনো বিকল্প খোলা ছিল না। এমনকি ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে অনেক তরুণ রয়েছেন, যাদের জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। জাতিসংঘের ভাষ্যমতে, বর্তমান গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে মিয়ানমারে কাউকে ফেরত পাঠানো কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।

অন্যদিকে মালয়েশিয়া সরকারের দাবি, এই অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় নিজেদের দেশে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ও জাতিসংঘের মতে, তীব্র সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে এমন ঝুঁকিপূর্ণ দেশে ফেরত পাঠানো অত্যন্ত অমানবিক ও অবিবেচনাপ্রসূত। বন্দিদশা থেকে ফেরা এই মানুষগুলোর অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও পাননি। তবে মালয়েশিয়ার দাবি, অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় ফিরেছেন।

জনপ্রিয়

আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন দেড় হাজার নাগরিক

আপডেট : ০৪:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

গৃহযুদ্ধে অস্থিতিশীল মিয়ানমারে মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দেড় হাজার নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। রোববার মিয়ানমার নৌবাহিনীর একটি জাহাজে করে তাদের থানলিন নৌঘাঁটিতে নেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অভিবাসন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তাদের একটি বৌদ্ধ মঠের হলঘরে স্থানান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘদিন আটককেন্দ্রে বন্দি থাকার পর দেশে ফেরা এসব মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেছিলেন যে, মোট ৫ হাজার মিয়ানমার অভিবাসীকে পর্যায়ক্রমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই প্রথম ধাপে দেড় হাজার মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো। তবে কুয়ালালামপুর এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি যে, ফেরত পাঠানো এই দলে কোনো রোহিঙ্গা নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন কি না।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ব্যাপক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ বন্দিদশা ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে এই অভিবাসীদের সামনে অন্য কোনো বিকল্প খোলা ছিল না। এমনকি ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে অনেক তরুণ রয়েছেন, যাদের জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। জাতিসংঘের ভাষ্যমতে, বর্তমান গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে মিয়ানমারে কাউকে ফেরত পাঠানো কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।

অন্যদিকে মালয়েশিয়া সরকারের দাবি, এই অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় নিজেদের দেশে ফিরে যেতে সম্মত হয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ও জাতিসংঘের মতে, তীব্র সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের এই সংকটময় মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে এমন ঝুঁকিপূর্ণ দেশে ফেরত পাঠানো অত্যন্ত অমানবিক ও অবিবেচনাপ্রসূত। বন্দিদশা থেকে ফেরা এই মানুষগুলোর অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগও পাননি। তবে মালয়েশিয়ার দাবি, অভিবাসীরা স্বেচ্ছায় ফিরেছেন।