Hi

১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচন: পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর বিধায়ক হুমায়ুন কবির

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১১:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ জন দেখেছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগরে উপনির্বাচন চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোট গ্রহণের সময় দলীয় কার্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে তার তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা তার জামা ধরে টেনেহিঁচড়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এরপর কবিরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রেজিনগরের এজেইউপি কার্যালয়ে যায় পুলিশ। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ধস্তাধস্তিতে গড়ায়।

ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন হুমায়ুন কবির। তার অভিযোগ, ভোটকেন্দ্র ও নিজের বাড়ির আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট প্রদানের পরও তিনি পুলিশের পক্ষপাতিত্ব ও ‘দালালি’ করার অভিযোগ তোলেন। এসব মন্তব্যের জের ধরেই পুলিশ তার এজেইউপি কার্যালয়ে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতির অবনতি হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রেজিনগর ও নওদা—এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। পরে তিনি নওদা আসনটি নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রেজিনগর আসনটি শূন্য হয়। এই উপনির্বাচনে তার ছেলে গোলাম নবী আজাদ এজেইউপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রেজিনগর কেন্দ্রে মূল লড়াইয়ে আরও রয়েছেন বিজেপির সাখারাভ সরকার, তৃণমূল কংগ্রেসের রাবিউল আলম চৌধুরী ও সফিউজ্জামান শেখ, কংগ্রেসের মোহাম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি এবং সিপিএমের সৈয়দ আসাদ আলী। একই সময়ে রাজ্যের নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনেও উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে।

জনপ্রিয়

শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচন: পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর বিধায়ক হুমায়ুন কবির

আপডেট : ১১:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রেজিনগরে উপনির্বাচন চলাকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রধান ও বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোট গ্রহণের সময় দলীয় কার্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে তার তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা তার জামা ধরে টেনেহিঁচড়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। এরপর কবিরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রেজিনগরের এজেইউপি কার্যালয়ে যায় পুলিশ। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ধস্তাধস্তিতে গড়ায়।

ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন হুমায়ুন কবির। তার অভিযোগ, ভোটকেন্দ্র ও নিজের বাড়ির আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট প্রদানের পরও তিনি পুলিশের পক্ষপাতিত্ব ও ‘দালালি’ করার অভিযোগ তোলেন। এসব মন্তব্যের জের ধরেই পুলিশ তার এজেইউপি কার্যালয়ে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতির অবনতি হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রেজিনগর ও নওদা—এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবির। পরে তিনি নওদা আসনটি নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় রেজিনগর আসনটি শূন্য হয়। এই উপনির্বাচনে তার ছেলে গোলাম নবী আজাদ এজেইউপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

রেজিনগর কেন্দ্রে মূল লড়াইয়ে আরও রয়েছেন বিজেপির সাখারাভ সরকার, তৃণমূল কংগ্রেসের রাবিউল আলম চৌধুরী ও সফিউজ্জামান শেখ, কংগ্রেসের মোহাম্মদ আবদুল্লাহিল কাফি এবং সিপিএমের সৈয়দ আসাদ আলী। একই সময়ে রাজ্যের নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনেও উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে।