Hi

০৮:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি আইন ও কঠোর আইন চালুর ঘোষণা

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি আইন (ইউসিসি) চালুর পাশাপাশি কথিত ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ রুখতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রোববার কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও এই আইন কার্যকর করা হবে। সরকার পুরোপুরি সংবিধান মেনে পরিচালিত হবে এবং সনাতনী সংস্কৃতি বা ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ওপর কোনো ধরনের আঘাত বরদাশত করা হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ইতিমধ্যে ইউসিসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিয়ে, বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার ও দত্তক গ্রহণের মতো পারিবারিক বিষয়গুলো নিয়ে অভিন্ন খসড়া পর্যালোচনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল এই ইউসিসি বাস্তবায়ন।

রাজ্যে ধর্মীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করতে আগামী দুই বছরের মধ্যে ১ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন। আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি, দেবতা ও ঐতিহ্যকে বারবার অবজ্ঞা করাই ছিল সেই সরকারের পতনের অন্যতম কারণ। এছাড়া আগামী নভেম্বরে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ২০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে হনুমান চালিসা পাঠ এবং ২৯ ডিসেম্বর ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার প্রস্তুতিও জোরেশোরে শুরু হয়েছে। ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন অধিকারী।

জনপ্রিয়

এক বছরের মধ্যেই পুঁজিবাজারের চিত্র বদলে যাবে: অর্থমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি আইন ও কঠোর আইন চালুর ঘোষণা

আপডেট : ০৭:৪৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি আইন (ইউসিসি) চালুর পাশাপাশি কথিত ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ রুখতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রোববার কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও এই আইন কার্যকর করা হবে। সরকার পুরোপুরি সংবিধান মেনে পরিচালিত হবে এবং সনাতনী সংস্কৃতি বা ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের ওপর কোনো ধরনের আঘাত বরদাশত করা হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ইতিমধ্যে ইউসিসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিয়ে, বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার ও দত্তক গ্রহণের মতো পারিবারিক বিষয়গুলো নিয়ে অভিন্ন খসড়া পর্যালোচনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল এই ইউসিসি বাস্তবায়ন।

রাজ্যে ধর্মীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করতে আগামী দুই বছরের মধ্যে ১ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন। আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি, দেবতা ও ঐতিহ্যকে বারবার অবজ্ঞা করাই ছিল সেই সরকারের পতনের অন্যতম কারণ। এছাড়া আগামী নভেম্বরে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ২০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে হনুমান চালিসা পাঠ এবং ২৯ ডিসেম্বর ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার প্রস্তুতিও জোরেশোরে শুরু হয়েছে। ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন অধিকারী।