Hi

১১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরও শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৮:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছে

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ক্রমাগত শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আবহাওয়া অধিদফতর সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর এটি আরও ঘণীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ১৫.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। সোমবার দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সতর্কতার অংশ হিসেবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রস্তুতির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

হুতিদের থামাতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, আলোচনায় আসিম মুনির

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আরও শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

আপডেট : ০৮:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ক্রমাগত শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। আবহাওয়া অধিদফতর সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর এটি আরও ঘণীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে ১৫.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। সোমবার দুপুর ১২টার তথ্য অনুযায়ী, এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

সতর্কতার অংশ হিসেবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রস্তুতির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।