কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) স্থানান্তর প্রক্রিয়া সফলভাবে শুরু হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে স্পট মার্কেটে কেনা এলএনজিবাহী কার্গো থেকে আজ সকাল ৭টা থেকে এই স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং সকাল থেকেই তা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে এসেছে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানিয়েছেন, বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এর সুফল হিসেবে শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রয়েছে এবং আগামীতে তা আরও বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন এন্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব বাসসকে জানান, সকাল ৭ টা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় জাতীয় গ্রিডে মোট সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে ৭৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট পাওয়া গেছে। সময়ের সাথে সাথে এই সরবরাহ বেড়ে দুপুর ২টায় ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছায়। এ সময় দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গতকাল বঙ্গোপসাগরের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে স্থানান্তর কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। এর ফলে আরএলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দেয়। তবে গতকালই পেট্রোবাংলা আশ্বস্ত করেছিল যে, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এলএনজি স্থানান্তর ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, যা আজ বাস্তবায়িত হয়েছে।
রিপোর্টার নাম: 






















