Hi

১২:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ জন দেখেছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠন করা অসম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী জানান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কাজ করছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্র সামনে রেখে তিনি বিশ্ব শান্তি ও জাতিসংঘের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি এমন একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেন, যেখানে তরুণরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবন গড়বে এবং প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনা বিকশিত হবে।

দেশের তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্টার্টআপ উদ্যোগে সহায়তার জন্য চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, বরং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন প্রয়োজন। এর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির সুফল প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে এবং স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে নারী প্রধানদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব কার্ড সমন্বিত করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেটের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ, ইউনিফর্ম ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে উৎসাহিত করতে সিলেবাসে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং গত জুনে দেশব্যাপী বিশাল ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

প্রযুক্তির বর্তমান যুগে ডিজিটাল বিভাজন এড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক বিজ্ঞানের সুফল যেন সবার জন্য সমান হয়। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের পথে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই অগ্রগতি টেকসই করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থায়ন, বাজার সুবিধা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও মানবিক সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, যেকোনো বিরোধের সমাধান আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে হওয়া উচিত। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় উল্লেখ করেন, সংকটের উৎস যেহেতু মিয়ানমারে, তাই সমাধানও সেখানে। ১২ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি তাদের নিরাপদে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা দাবি করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী জানান, কপ-৩১ সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হবে। দেশে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, সৌরশক্তির প্রসার এবং ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্যোগের কথা জানান তিনি।

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবতার সেবায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের মধ্যে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। এছাড়া অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নারীর অর্থনৈতিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচির সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ নীতির ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশের পরোক্ষ মিল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশ একা এগিয়ে যেতে পারে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা থেকেও পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও নির্ভরতার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।

জনপ্রিয়

আক্কেলপুরে খালের পানিতে নিখোঁজ নারীর সন্ধান মিলল

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া নিজের প্রথম ভাষণে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠন করা অসম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী জানান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কাজ করছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই মূলমন্ত্র সামনে রেখে তিনি বিশ্ব শান্তি ও জাতিসংঘের নীতিমালার প্রতি দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি এমন একটি শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেন, যেখানে তরুণরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবন গড়বে এবং প্রতিটি শিশুর সম্ভাবনা বিকশিত হবে।

দেশের তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্টার্টআপ উদ্যোগে সহায়তার জন্য চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, বরং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন প্রয়োজন। এর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির সুফল প্রতিটি নাগরিকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানো হয়েছে এবং স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে নারী প্রধানদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব কার্ড সমন্বিত করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেটের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যাগ, ইউনিফর্ম ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে উৎসাহিত করতে সিলেবাসে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং গত জুনে দেশব্যাপী বিশাল ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

প্রযুক্তির বর্তমান যুগে ডিজিটাল বিভাজন এড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক বিজ্ঞানের সুফল যেন সবার জন্য সমান হয়। তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের পথে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এই অগ্রগতি টেকসই করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অর্থায়ন, বাজার সুবিধা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত ও মানবিক সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, যেকোনো বিরোধের সমাধান আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে হওয়া উচিত। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী পুনরায় উল্লেখ করেন, সংকটের উৎস যেহেতু মিয়ানমারে, তাই সমাধানও সেখানে। ১২ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ সময় ধরে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি তাদের নিরাপদে নিজ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা দাবি করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী জানান, কপ-৩১ সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ওপর জোর দেওয়া হবে। দেশে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, সৌরশক্তির প্রসার এবং ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের উদ্যোগের কথা জানান তিনি।

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবতার সেবায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের মধ্যে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। এছাড়া অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি। সবশেষে, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নারীর অর্থনৈতিক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচির সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ নীতির ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশের পরোক্ষ মিল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশ একা এগিয়ে যেতে পারে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা থেকেও পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও নির্ভরতার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে।