Hi

০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা ও প্রযুক্তিতেই বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৩:০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানই বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুই দেশের এই ঐতিহাসিক সংযোগকে আরও মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারস্পরিক শিক্ষাগত ও প্রযুক্তিগত বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের জনমিতিক সুবিধা বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম তরুণ। এই বিপুল জনশক্তিকে কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। চীন সফর থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে সরকার কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এরই মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বাজেটে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির বর্তমান ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই বাজেটের উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় করা হবে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি ভিত্তিক একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই রাউন্ডটেবল বৈঠকটিতে শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং। তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

জনপ্রিয়

শিক্ষা ও প্রযুক্তিতেই বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হবে: শিক্ষামন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শিক্ষা ও প্রযুক্তিতেই বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব দীর্ঘস্থায়ী হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ০৩:০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানই বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুই দেশের এই ঐতিহাসিক সংযোগকে আরও মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারস্পরিক শিক্ষাগত ও প্রযুক্তিগত বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের জনমিতিক সুবিধা বা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম তরুণ। এই বিপুল জনশক্তিকে কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত করে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। চীন সফর থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে সরকার কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এরই মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বাজেটে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির বর্তমান ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। এই বাজেটের উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় করা হবে কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমি ভিত্তিক একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই রাউন্ডটেবল বৈঠকটিতে শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং এবং সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং। তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন।