Hi

১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা কিউআর পেমেন্ট ব্যর্থতায় টাকা ফেরতের নতুন নিয়ম

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ জন দেখেছে

বাংলা কিউআর পেমেন্ট সিস্টেমে গ্রাহকদের লেনদেন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে নতুন সময়সীমা ও নীতিমালা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কোনো লেনদেন ব্যর্থ হলে বা গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়ার পরও বিক্রেতা তা না পেলে, ইস্যুয়িং ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে গ্রাহককে কোনো প্রকার অভিযোগ করার প্রয়োজন হবে না। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব। আদাবরে ভবন দখলচেষ্টা: দেড় বছরে দেড় কোটি টাকা আদায় করেছিল একই দখলদার গ্রুপ। অর্থাৎ, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বাংলা কিউআরে সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ে উদ্বেগ।

ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান বলতে সেই ব্যাংক বা এমএফএস সেবাদাতাকে বোঝানো হয়েছে, যাদের অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহক অর্থ পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান হলো সেই ব্যাংক বা মাধ্যম যার মাধ্যমে বিক্রেতা বা মার্চেন্ট টাকা গ্রহণ করে থাকেন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেসব সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে না, সেক্ষেত্রে গ্রাহক লেনদেনের ৪৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর দুই কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে তা গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে। সমাধান না হলে বিষয়টি সেন্ট্রালাইজড ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিএমএসের মাধ্যমে চার্জব্যাক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে। সংসার ও ক্যারিয়ারের সফলতার শুরুতেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ডা. আঁচল।

চার্জব্যাকের জবাব দেওয়ার জন্য অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে সাত দিন সময় দেওয়া হবে। এরপরও কোনো বিরোধ অমীমাংসিত থাকলে সালিশ বা আরবিট্রেশনের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে তা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হবে। মূলত পণ্য না পাওয়া, ডাবল পেমেন্ট, ভুল বিলিং এবং গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটা গেলেও মার্চেন্ট টাকা না পাওয়ার মতো সমস্যা মোকাবিলায় আটটি নির্দিষ্ট ‘চার্জব্যাক রিজন কোড’ চালু করা হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানের জন্য এই প্রক্রিয়া অভিন্ন রাখার লক্ষ্যেই কোডগুলো প্রবর্তন করা হয়েছে। এরপরও যদি বিরোধের নিষ্পত্তি না হয়, তবে বিষয়টি আরবিট্রেশন বা সালিশের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, যা অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

লেনদেন যাচাইয়ের সুবিধার্থে নতুন ‘ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস ইনকোয়ারি’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কাছে লেনদেনের অবস্থা নিশ্চিত হতে সহায়তা করবে। এতে গ্রাহকদের ম্যানুয়ালি অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার ৫, ট্রাম্পের প্রশংসা।

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলা কিউআর লেনদেনের নগদ প্রণোদনার আওতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে শুধু তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র বিক্রেতারা এই প্রণোদনা পেলেও, এখন থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী যেসব মার্চেন্ট এনপিএসবি চ্যানেলে বাংলা কিউআর ব্যবহার করেন, তারাও এই সুবিধা পাবেন।

প্রণোদনার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেনের মোট মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে মাসিক নগদ প্রণোদনা পাবে। নতুন এই নির্দেশনার পাশাপাশি মূল প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলা কিউআর পেমেন্ট ব্যর্থতায় টাকা ফেরতের নতুন নিয়ম

আপডেট : ১০:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলা কিউআর পেমেন্ট সিস্টেমে গ্রাহকদের লেনদেন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে নতুন সময়সীমা ও নীতিমালা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কোনো লেনদেন ব্যর্থ হলে বা গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়ার পরও বিক্রেতা তা না পেলে, ইস্যুয়িং ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে গ্রাহককে কোনো প্রকার অভিযোগ করার প্রয়োজন হবে না। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব। আদাবরে ভবন দখলচেষ্টা: দেড় বছরে দেড় কোটি টাকা আদায় করেছিল একই দখলদার গ্রুপ। অর্থাৎ, যে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বাংলা কিউআরে সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ে উদ্বেগ।

ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান বলতে সেই ব্যাংক বা এমএফএস সেবাদাতাকে বোঝানো হয়েছে, যাদের অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহক অর্থ পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান হলো সেই ব্যাংক বা মাধ্যম যার মাধ্যমে বিক্রেতা বা মার্চেন্ট টাকা গ্রহণ করে থাকেন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে যেসব সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে না, সেক্ষেত্রে গ্রাহক লেনদেনের ৪৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর দুই কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে তা গ্রহণ বা বাতিল করতে হবে। সমাধান না হলে বিষয়টি সেন্ট্রালাইজড ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ডিএমএসের মাধ্যমে চার্জব্যাক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে। সংসার ও ক্যারিয়ারের সফলতার শুরুতেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ডা. আঁচল।

চার্জব্যাকের জবাব দেওয়ার জন্য অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে সাত দিন সময় দেওয়া হবে। এরপরও কোনো বিরোধ অমীমাংসিত থাকলে সালিশ বা আরবিট্রেশনের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে তা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করতে হবে। মূলত পণ্য না পাওয়া, ডাবল পেমেন্ট, ভুল বিলিং এবং গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটা গেলেও মার্চেন্ট টাকা না পাওয়ার মতো সমস্যা মোকাবিলায় আটটি নির্দিষ্ট ‘চার্জব্যাক রিজন কোড’ চালু করা হয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানের জন্য এই প্রক্রিয়া অভিন্ন রাখার লক্ষ্যেই কোডগুলো প্রবর্তন করা হয়েছে। এরপরও যদি বিরোধের নিষ্পত্তি না হয়, তবে বিষয়টি আরবিট্রেশন বা সালিশের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, যা অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।

লেনদেন যাচাইয়ের সুবিধার্থে নতুন ‘ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস ইনকোয়ারি’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কাছে লেনদেনের অবস্থা নিশ্চিত হতে সহায়তা করবে। এতে গ্রাহকদের ম্যানুয়ালি অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার ৫, ট্রাম্পের প্রশংসা।

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলা কিউআর লেনদেনের নগদ প্রণোদনার আওতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে শুধু তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র বিক্রেতারা এই প্রণোদনা পেলেও, এখন থেকে ট্রেড লাইসেন্সধারী যেসব মার্চেন্ট এনপিএসবি চ্যানেলে বাংলা কিউআর ব্যবহার করেন, তারাও এই সুবিধা পাবেন।

প্রণোদনার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেনের মোট মূল্যের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে মাসিক নগদ প্রণোদনা পাবে। নতুন এই নির্দেশনার পাশাপাশি মূল প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।