Hi

০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন সফল

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

বাংলাদেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এখন থেকে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয় না হয়েও যে কেউ স্বেচ্ছায় কিডনি দান করতে পারবেন।

উপাচার্য জানান, ইমোশনাল ডোনারদের নির্ভুল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে। দানকারীর সঠিকতা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের একটি বিশেষ মেডিকেল টিম মেডিকেল ও অন্যান্য জটিল বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখবে। সব ধরনের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় কিডনি লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিলতার কারণে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল, তবে এই নতুন নিয়মের ফলে রোগীরা এখন থেকে নিয়মিত সেবা পাবেন। বর্তমানে বিএমইউতে এ পর্যন্ত ছয়টি কিডনি সফলভাবে প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতে বড় একটি অর্জন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, কোন অবস্থাতেই অর্থ লেনদেন হতে পারবে না।

জনপ্রিয়

মক্কায় হামলাকে মহাপাপ বললেন হারামাইনের দুই ইমাম

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপন সফল

আপডেট : ১০:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইমোশনাল ডোনারের মাধ্যমে কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এখন থেকে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয় না হয়েও যে কেউ স্বেচ্ছায় কিডনি দান করতে পারবেন।

উপাচার্য জানান, ইমোশনাল ডোনারদের নির্ভুল যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে। দানকারীর সঠিকতা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের একটি বিশেষ মেডিকেল টিম মেডিকেল ও অন্যান্য জটিল বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখবে। সব ধরনের আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় কিডনি লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিলতার কারণে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল, তবে এই নতুন নিয়মের ফলে রোগীরা এখন থেকে নিয়মিত সেবা পাবেন। বর্তমানে বিএমইউতে এ পর্যন্ত ছয়টি কিডনি সফলভাবে প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতে বড় একটি অর্জন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, কোন অবস্থাতেই অর্থ লেনদেন হতে পারবে না।