Hi

০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭৫, নিখোঁজ সাড়ে ৫ হাজার

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ জন দেখেছে

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৩৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৬ আগস্ট শুরু হওয়া এই প্রলয়ংকরী দুর্যোগের ১০ দিন পার হলেও এখনো ৫ হাজার ৫৩১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দুর্যোগের ফলে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে এবং সেখানে প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ ছিলেন, যার মধ্যে ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং ৫১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের নিখোঁজদের তালিকায় ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৯ জন ভারতীয়। নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস-মানসসরোবরের তীর্থযাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুর্যোগের সূত্রপাত হয় ২৬ আগস্ট, যখন নেপাল-তিব্বত সীমান্তের মাউন্ট লাংটাং লিরুংয়ের উচ্চ ঢালে বিশাল বরফ ও পাথরের অংশ ধসে পড়ে। এই ধসের ফলে সৃষ্ট বরফ, কাদা ও পানির ভয়াবহ স্রোত ত্রিশূলী ও ভোতে কোশি নদী অববাহিকায় আঘাত হানে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে অস্থায়ী বাঁধ ও জলাধারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, যা পরে ভেঙে গিয়ে আরও বড় বন্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে। এতে সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহূর্তের মধ্যে ভেসে যায়।

চীন-নেপাল সীমান্তের গিরং বন্দরটি বর্তমানে কাদা ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময়কার ব্যস্ত এই সীমান্ত ফটক ও চীনা কাস্টমস ভবনটির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। উদ্ধারকর্মীরা সেখানে খননযন্ত্র, কোদাল ও ভূগর্ভস্থ রাডার ব্যবহার করে তল্লাশি চালাচ্ছেন। অনুসন্ধান এলাকাকে সাতটি অংশে ভাগ করে অভিযান চালানো হচ্ছে। চীনের অংশে সম্প্রতি আরও ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা শনাক্ত করতে আঙুলের ছাপ, শরীরের বিশেষ চিহ্ন ও ট্যাটু ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ডিএনএ শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ও তথ্য বিনিময়ের স্বচ্ছতা নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

নেপালের রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং ও কাভ্রে জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজার হাজার ঘরবাড়ি, স্কুল ও অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় প্রায় ২০ হাজার বাড়ি পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হতে পারে বলে নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। উদ্ধার অভিযানে নেপালের হাজার হাজার সেনা ও পুলিশের পাশাপাশি চীন ও ভারতের বিশেষায়িত দল কাজ করছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, টানা বৃষ্টি ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভয়াবহ এই দুর্যোগের মধ্যেও কিছু অলৌকিক বেঁচে থাকার খবর পাওয়া গেছে। বেত্রাবতীতে ধসে পড়া চারতলা বাড়ির ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন আটকে থাকার পর ৬৪ বছর বয়সী চন্দিকা কুমারী শেরেস্তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নেপালের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে প্রায় ১০ দিন পর লু হাইতাও নামের এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনা নিখোঁজদের স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

গিরং সীমান্তটি গত এক দশকে চীন ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য ও তীর্থযাত্রীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ ছিল। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর এই পথের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। এই বিপর্যয় হিমালয় অঞ্চলের জলবায়ু ও হিমবাহঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। চীনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিব্বতে ১৮৭টি উচ্চঝুঁকির হিমবাহ-হ্রদ দূরবর্তী সেন্সরের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও দুই দেশের মধ্যে দুর্যোগসংক্রান্ত তথ্য বিনিময় জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

বর্তমানে হাজারো মানুষ নিখোঁজ থাকায় উদ্ধারকারীদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ জীবিত আছেন কি না, সেটিই এখন স্বজন ও উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় আশা। রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি, এপি নিউজ ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার অভিযান ও পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীনের নিখোঁজদের মধ্যে ২৩ দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন; তাঁদের মধ্যে ৪৯ জন ভারতীয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রায় ২০ মিটার উঁচু সীমান্ত ফটকটিও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফটকটির জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা একটি চীনা পতাকা স্থাপন করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে সেগুলো ভেঙে বা উপচে পড়লে আরও ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চারটি অংশে অনুসন্ধান শেষ হলেও তিনটি এলাকায় অভিযান তখনো চলছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বহু গ্রাম মাটির নিচে চাপা পড়েছে কিংবা পানির স্রোতে ভেসে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীন ও ভারত থেকেও বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল সহায়তা করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর পরিবার এরই মধ্যে তাঁকে মৃত ধরে শোকের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছিল।

জনপ্রিয়

উপজেলাভিত্তিক হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, জানালেন ইসি সচিব

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭৫, নিখোঁজ সাড়ে ৫ হাজার

আপডেট : ১০:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৩৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৬ আগস্ট শুরু হওয়া এই প্রলয়ংকরী দুর্যোগের ১০ দিন পার হলেও এখনো ৫ হাজার ৫৩১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দুর্যোগের ফলে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে এবং সেখানে প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ ছিলেন, যার মধ্যে ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং ৫১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের নিখোঁজদের তালিকায় ২৩টি দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৯ জন ভারতীয়। নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস-মানসসরোবরের তীর্থযাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুর্যোগের সূত্রপাত হয় ২৬ আগস্ট, যখন নেপাল-তিব্বত সীমান্তের মাউন্ট লাংটাং লিরুংয়ের উচ্চ ঢালে বিশাল বরফ ও পাথরের অংশ ধসে পড়ে। এই ধসের ফলে সৃষ্ট বরফ, কাদা ও পানির ভয়াবহ স্রোত ত্রিশূলী ও ভোতে কোশি নদী অববাহিকায় আঘাত হানে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে অস্থায়ী বাঁধ ও জলাধারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, যা পরে ভেঙে গিয়ে আরও বড় বন্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে। এতে সড়ক, সেতু, ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মুহূর্তের মধ্যে ভেসে যায়।

চীন-নেপাল সীমান্তের গিরং বন্দরটি বর্তমানে কাদা ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একসময়কার ব্যস্ত এই সীমান্ত ফটক ও চীনা কাস্টমস ভবনটির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই। উদ্ধারকর্মীরা সেখানে খননযন্ত্র, কোদাল ও ভূগর্ভস্থ রাডার ব্যবহার করে তল্লাশি চালাচ্ছেন। অনুসন্ধান এলাকাকে সাতটি অংশে ভাগ করে অভিযান চালানো হচ্ছে। চীনের অংশে সম্প্রতি আরও ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা শনাক্ত করতে আঙুলের ছাপ, শরীরের বিশেষ চিহ্ন ও ট্যাটু ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ডিএনএ শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া ও তথ্য বিনিময়ের স্বচ্ছতা নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

নেপালের রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং ও কাভ্রে জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজার হাজার ঘরবাড়ি, স্কুল ও অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় প্রায় ২০ হাজার বাড়ি পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হতে পারে বলে নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। উদ্ধার অভিযানে নেপালের হাজার হাজার সেনা ও পুলিশের পাশাপাশি চীন ও ভারতের বিশেষায়িত দল কাজ করছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, টানা বৃষ্টি ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভয়াবহ এই দুর্যোগের মধ্যেও কিছু অলৌকিক বেঁচে থাকার খবর পাওয়া গেছে। বেত্রাবতীতে ধসে পড়া চারতলা বাড়ির ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন আটকে থাকার পর ৬৪ বছর বয়সী চন্দিকা কুমারী শেরেস্তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া নেপালের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে প্রায় ১০ দিন পর লু হাইতাও নামের এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনা নিখোঁজদের স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

গিরং সীমান্তটি গত এক দশকে চীন ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য ও তীর্থযাত্রীদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ ছিল। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর এই পথের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। এই বিপর্যয় হিমালয় অঞ্চলের জলবায়ু ও হিমবাহঝুঁকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। চীনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিব্বতে ১৮৭টি উচ্চঝুঁকির হিমবাহ-হ্রদ দূরবর্তী সেন্সরের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও দুই দেশের মধ্যে দুর্যোগসংক্রান্ত তথ্য বিনিময় জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

বর্তমানে হাজারো মানুষ নিখোঁজ থাকায় উদ্ধারকারীদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ জীবিত আছেন কি না, সেটিই এখন স্বজন ও উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় আশা। রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি, এপি নিউজ ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার অভিযান ও পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীনের নিখোঁজদের মধ্যে ২৩ দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন; তাঁদের মধ্যে ৪৯ জন ভারতীয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রায় ২০ মিটার উঁচু সীমান্ত ফটকটিও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফটকটির জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা একটি চীনা পতাকা স্থাপন করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে সেগুলো ভেঙে বা উপচে পড়লে আরও ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চারটি অংশে অনুসন্ধান শেষ হলেও তিনটি এলাকায় অভিযান তখনো চলছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বহু গ্রাম মাটির নিচে চাপা পড়েছে কিংবা পানির স্রোতে ভেসে গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীন ও ভারত থেকেও বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল সহায়তা করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর পরিবার এরই মধ্যে তাঁকে মৃত ধরে শোকের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছিল।