Hi

১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:২২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ জন দেখেছে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের জন্য জামানতের অংক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে চেয়ারম্যান পদে লড়তে প্রার্থীদের ২৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে, যা আগে ছিল ৫ হাজার টাকা। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রার্থীদের ১ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর এই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে গত মাসে কমিশন এই বিধিমালার খসড়া তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল।

নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নতুন সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে। এবার চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীদের জন্য ২ লাখ টাকা। এছাড়া বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য যেকোনো তপশিলি ব্যাংকে আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। নির্বাচনের যাবতীয় ব্যয় এই হিসাব থেকেই সম্পন্ন করতে হবে। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি ব্যয় হলে তা অবশ্যই চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

জামানত ফেরত পাওয়ার শর্ত হিসেবে নতুন গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ভোট পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। এর চেয়ে কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। এছাড়া যদি কোনো প্রার্থী জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে সেই টাকা গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি করা না হলে তা অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

জামানত জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার কিংবা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে টাকা জমা দিতে হবে। কোনো প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তাকে বারবার জামানত দিতে হবে না। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান ইউপি নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের অন্য চারটি প্রতিষ্ঠান—উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদের নির্বাচন বিধিমালার খসড়াও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করলো সংস্থাটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যয়সীমা বেড়েছে দ্বিগুণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে এই বিধিমালার বিধান প্রযোজ্য হবে।

জনপ্রিয়

উত্তরপ্রদেশে অগ্নিকাণ্ডে ৯ যাত্রীর প্রাণহানি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ

আপডেট : ১০:২২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের জন্য জামানতের অংক উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে চেয়ারম্যান পদে লড়তে প্রার্থীদের ২৫ হাজার টাকা জামানত দিতে হবে, যা আগে ছিল ৫ হাজার টাকা। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের প্রার্থীদের ১ হাজার টাকার পরিবর্তে ৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর এই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এর আগে গত মাসে কমিশন এই বিধিমালার খসড়া তৈরি করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল।

নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়ের ক্ষেত্রেও নতুন সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে। এবার চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীদের জন্য ২ লাখ টাকা। এছাড়া বিধিমালায় বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য যেকোনো তপশিলি ব্যাংকে আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। নির্বাচনের যাবতীয় ব্যয় এই হিসাব থেকেই সম্পন্ন করতে হবে। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার চেয়ে বেশি ব্যয় হলে তা অবশ্যই চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

জামানত ফেরত পাওয়ার শর্ত হিসেবে নতুন গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ ভোট পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। এর চেয়ে কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে এবং সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে। এছাড়া যদি কোনো প্রার্থী জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে সেই টাকা গ্রহণ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে দাবি করা না হলে তা অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

জামানত জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার কিংবা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে টাকা জমা দিতে হবে। কোনো প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও তাকে বারবার জামানত দিতে হবে না। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বর্তমান ইউপি নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের অন্য চারটি প্রতিষ্ঠান—উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদের নির্বাচন বিধিমালার খসড়াও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করলো সংস্থাটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যয়সীমা বেড়েছে দ্বিগুণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে এই বিধিমালার বিধান প্রযোজ্য হবে।