Hi

০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের ‘দ্য ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি ইন ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার অর্থনীতির আকার ৬৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, ভিয়েতনামের ৬৬৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ডের ৬৪৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ডেনমার্কের জিডিপি ৫৮৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। জিডিপির এই তুলনামূলক হিসাবের ভিত্তিতেই দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থানের এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেতে পারে। আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আধিপত্য অব্যাহত থাকবে। ২০৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রায় ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীনের জিডিপি প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে তৃতীয় স্থান দখলের লড়াইয়ে জার্মানি ও ভারতের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা দিতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই বছর জার্মানির জিডিপি ৬ হাজার ১৭৮ বিলিয়ন ডলার এবং ভারতের জিডিপি ৬ হাজার ১৭৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে, যেখানে যুক্তরাজ্যের জিডিপি ৫ হাজার ১৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বের অর্থনৈতিক কাঠামোর বড় একটি অংশ মাত্র কয়েকটি দেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের পাঁচটি দেশ মিলেই বৈশ্বিক জিডিপির ৫৩ দশমিক ৩ শতাংশ উৎপাদন করে থাকে। এর মধ্যে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান বৈশ্বিক জিডিপির এক-চতুর্থাংশের চেয়েও বেশি।

এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার মতো দেশগুলো নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া বিশ্বের ১০ বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে থাকবে চীন।

জনপ্রিয়

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির দীর্ঘ অনুপস্থিতি: নেপথ্যের রহস্য ও বর্তমান পরিস্থিতি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি

আপডেট : ০৭:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের ‘দ্য ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি ইন ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। এই প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ২০৩০ সালে মালয়েশিয়ার অর্থনীতির আকার ৬৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, ভিয়েতনামের ৬৬৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, থাইল্যান্ডের ৬৪৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ডেনমার্কের জিডিপি ৫৮৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে। জিডিপির এই তুলনামূলক হিসাবের ভিত্তিতেই দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থানের এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতির আকার প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেতে পারে। আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আধিপত্য অব্যাহত থাকবে। ২০৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রায় ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীনের জিডিপি প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে তৃতীয় স্থান দখলের লড়াইয়ে জার্মানি ও ভারতের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা দিতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই বছর জার্মানির জিডিপি ৬ হাজার ১৭৮ বিলিয়ন ডলার এবং ভারতের জিডিপি ৬ হাজার ১৭৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে, যেখানে যুক্তরাজ্যের জিডিপি ৫ হাজার ১৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বের অর্থনৈতিক কাঠামোর বড় একটি অংশ মাত্র কয়েকটি দেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের পাঁচটি দেশ মিলেই বৈশ্বিক জিডিপির ৫৩ দশমিক ৩ শতাংশ উৎপাদন করে থাকে। এর মধ্যে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান বৈশ্বিক জিডিপির এক-চতুর্থাংশের চেয়েও বেশি।

এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০টি বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার মতো দেশগুলো নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া বিশ্বের ১০ বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে থাকবে চীন।