ইতালির রোমে জেমসের কনসার্টকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্ক ও আয়োজকদের আনা প্রতারণার অভিযোগের বিষয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন নগরবাউল জেমস। গত বৃহস্পতিবার ভেনিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগের জবাব দেন। মূলত ১৬ আগস্ট রোমে কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেছিলেন। চেক-আউটের পর ওই কক্ষের অগোছালো অবস্থার ছবি এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আয়োজক প্রতিনিধিদের কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সূত্রপাত হয়।
হোটেল কক্ষ অপরিষ্কার রেখে না জানিয়েই হোটেল ছাড়ার অভিযোগের বিষয়ে জেমস বলেন, ‘অভিযোগটি মূলত ৫৪৯ নম্বর রুম নিয়ে। ওই কক্ষে আমাদের দলের একজন তরুণ গিটারিস্ট ছিলেন। হোটেল থেকে নিয়মিত পরিষ্কার করার নিয়ম থাকলেও হয়তো তারা সেটি করেনি। এটি কোনো বড় বিষয় নয়, হোটেলে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। যদি হোটেল কর্তৃপক্ষ ২০০ ইউরো জরিমানা করে থাকে, তবে সেটিও খুব বড় কোনো ইস্যু নয়। একেক দেশে নিয়ম একেক রকম।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো সমালোচনা প্রসঙ্গে জেমস আরও বলেন, ‘এসব নিয়ে বড় কোনো ইস্যু তৈরির প্রয়োজন নেই। যার যা ইচ্ছা লিখতে পারে, তাদের সেই স্বাধীনতা আছে।’ জেমসের মুখপাত্র রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন জানিয়েছেন, যে কক্ষটি নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেখানে জেমস নিজে ছিলেন না। রবিন বলেন, ‘আমাদের চারটি কক্ষ ছিল। জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর কক্ষে এবং আমি ছিলাম ২৪৬ নম্বর কক্ষে। একজনের কক্ষের দায় জেমসের ওপর চাপানো অন্যায্য। তিনি দেশের একজন বড় তারকা, তাঁকে নিয়ে এমন মিথ্যাচার কাম্য নয়।’
হোটেলের নিয়ম না মেনে বা না জানিয়ে হোটেল ছাড়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন রবিন। তিনি বলেন, ‘এত মানুষ ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে কি পালিয়ে আসা সম্ভব? আমরা সবার সামনে দিয়েই বের হয়ে ভেনিস এসেছি। এগুলো আয়োজকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ছড়ানো মিথ্যা অভিযোগ।’
অন্যদিকে, ইতালির আয়োজক হোসাইন আহমেদ কনসার্টের অগ্রিম অর্থ ও টিকিট বিক্রির টাকা নিয়ে হিসাবের জটিলতা তৈরি হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, রবিন এসব অর্থের হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এবং একপর্যায়ে পুলিশও ডাকা হয়েছিল।
এই অভিযোগের জবাবে রবিন বলেন, ‘আয়োজকদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী কাজ হয়েছে। যদি আমরা চুক্তি ভঙ্গ করতাম, তবে পুলিশ অবশ্যই আমাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিত। আমরা ইতালিতেই আছি, ভেনিসেই অবস্থান করছি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তাঁরা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন।’ চুক্তি লঙ্ঘন হলে যেকোনো আইনি লড়াই মোকাবিলায় তাঁরা প্রস্তুত বলেও জানান জেমসের মুখপাত্র। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জেমস আরও বলেন, ‘অনেকেই রুম এলোমেলো রাখে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমনও দেখা যায়, কেউ রুমে ধূমপান করে ১০০ বা ২০০ ইউরো জরিমানা দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জেমস বললেন, ‘পরিবারের একজনকে হারিয়েছি’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিয়ম কিন্তু সব সময় হোটেল থেকে ক্লিনিং করা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ফোন আছে, দুই-চারটা কথা লিখতেছে, লিখুক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জেমস বললেন, ‘হতে পারে এটা আমার জীবনের একটা টার্নিং পয়েন্ট’।
রিপোর্টার নাম: 


























