Hi

১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলার মেঘনায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায়

ভোলার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলে কামাল মাঝির জালে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ওজনের একটি বিশাল কোড়াল মাছ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে উপজেলার ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়নের ডালচর মৎস্যঘাটে মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন তিনি। জেলে কামাল মাঝি জানান, মেঘনায় মাছ শিকারের সময় অন্যান্য ছোট ইলিশের পাশাপাশি বিশাল আকৃতির এই কোড়াল মাছটি তার জালে আটকা পড়ে। পরে তিনি মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন।

ডালচর মৎস্যঘাটে মাছটি নিলামে তোলা হলে মৎস্য ব্যবসায়ী জুবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় এটি কিনে নেন। নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া অপর ব্যবসায়ী শামীম তালুকদার জানান, প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে মাছটি রাজিব চৌধুরীর আড়তের কর্মচারী কিনে নিয়েছেন। মাছটি পরবর্তীতে লঞ্চযোগে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে, যেখানে এটি আরও বেশি দামে বিক্রির আশা করা হচ্ছে।

মেঘনায় বর্তমানে ইলিশের সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে জেলের জালে বড় আকৃতির কোড়াল বা পাঙ্গাশ মাছ ধরা পড়া জেলেদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সামনের দিনগুলোতে ইলিশের পাশাপাশি মেঘনায় আরও বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়বে, যা জেলেদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

জনপ্রিয়

পুলিশের ১৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রদবদল: ডিআইজি ও এসপি পর্যায়ে বড় পরিবর্তন

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ভোলার মেঘনায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোড়াল, নিলামে বিক্রি ২৪ হাজার টাকায়

আপডেট : ০৯:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলে কামাল মাঝির জালে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ওজনের একটি বিশাল কোড়াল মাছ। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে উপজেলার ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়নের ডালচর মৎস্যঘাটে মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন তিনি। জেলে কামাল মাঝি জানান, মেঘনায় মাছ শিকারের সময় অন্যান্য ছোট ইলিশের পাশাপাশি বিশাল আকৃতির এই কোড়াল মাছটি তার জালে আটকা পড়ে। পরে তিনি মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন।

ডালচর মৎস্যঘাটে মাছটি নিলামে তোলা হলে মৎস্য ব্যবসায়ী জুবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় এটি কিনে নেন। নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া অপর ব্যবসায়ী শামীম তালুকদার জানান, প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে মাছটি রাজিব চৌধুরীর আড়তের কর্মচারী কিনে নিয়েছেন। মাছটি পরবর্তীতে লঞ্চযোগে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে, যেখানে এটি আরও বেশি দামে বিক্রির আশা করা হচ্ছে।

মেঘনায় বর্তমানে ইলিশের সংকট চলছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে জেলের জালে বড় আকৃতির কোড়াল বা পাঙ্গাশ মাছ ধরা পড়া জেলেদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সামনের দিনগুলোতে ইলিশের পাশাপাশি মেঘনায় আরও বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়বে, যা জেলেদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহায়তা করবে।