Hi

০৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটেই কি মিলবে সমাধান?

সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আভাস পাওয়া গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ বাংলাদেশি নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে রেমিট্যান্স পাঠানো ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন, তবে ভোটাধিকারের আইনি কাঠামো থাকলেও এর বাস্তবায়ন আজও অধরা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে প্রবাসীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জাতীয় অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার বড় সুযোগ। এটি প্রমাণ করবে যে, রাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবস্থান নির্বিশেষে গণতান্ত্রিক প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কতটা আন্তরিক।

এলএসসিআই-এর চেয়ারম্যান এবং সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ ইউকে-র আহ্বায়ক নাসরুল্লাহ খান জুনায়েদ বলেন, সংবিধানে ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা থাকলেও প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী গত ৫৫ বছর ধরে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, প্রবাসীরা দেশের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ এবং প্রতিটি সংসদীয় আসনে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ভোটার হতে পারেন। ভারত, মালদ্বীপ ও ভুটানের মতো দেশগুলো তাদের প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছে, এমনকি অনেক দেশ প্রবাসীদের জন্য সংসদে আসনও সংরক্ষণ করেছে।

ইউকে বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ রাখছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনাসমর্থিত সরকার এ নিয়ে উদ্যোগ নিলেও আইনি জটিলতায় তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে আইন পাস হলেও বিগত তিনটি নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার প্রবাসীদের রেমিট্যান্স নিলেও তাদের অধিকার বাস্তবায়নে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। তাই এবারের নির্বাচন থেকেই প্রবাসীদের ভোটাধিকার কার্যকর করার দাবি জানান তিনি।

প্রবাসীদের ভোট প্রদানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১০ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তিনি জানান, এবার প্রথাগত পোস্টাল ব্যালটের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। আগে ভোটারদের রিটার্নিং অফিসারের কাছে সশরীরে আবেদন করতে হতো, কিন্তু এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজ অবস্থান থেকে আবেদন করা যাবে।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, ব্যালট পেপার ছাপানোর পর তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর পরিবর্তে সহকারী রিটার্নিং অফিসার বা সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে ভোটারের কাছে পাঠানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে গড়ে ২৪ শতাংশ অপচয় বা ওয়েস্টেজ রেট থাকে, তবে আমাদের মতো বিস্তৃত ডায়েস্পোরার ক্ষেত্রে এই হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে সব মার্কা ছাপিয়ে দুই মাস আগেই পাঠিয়ে দেওয়ার একটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে টেকনিক্যাল কমিটি।

ইসি সানাউল্লাহ জানান, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ৪৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রক্সি ভোটের ধারণা থেকে সরে এসে অনলাইন পদ্ধতির ট্রায়াল পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের এই প্রক্রিয়ায় প্রতি ভোটে প্রায় ৭০০ টাকা ব্যয় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন, এমন কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ হলে তারা জানান, প্রবাসীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগ—সবক্ষেত্রেই বিশাল অবদান রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, আরেকটা প্রস্তাব এসেছে, পৃথিবীর কোন কোন দেশে ব্ল্যাংক ব্যালট আছে।

প্রবাসীরা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসলেও এর স্বীকৃতি মিলছে না।

এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যে পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে তারা ভোট দিতে পারবেন বলে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তারা।

তবু তাদের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও নেই কোনও কার্যকর ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, এখানে আমাদের একজন কমিশনারের কাছ থেকে আরেকটা সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা যদি সব মার্কা শুধু ছাপিয়ে দুই মাস আগেই পাঠিয়ে দেই এবং চূড়ান্ত মার্কাতে যদি শুধু ভোটটা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়, তাহলে হয় কিনা।

আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি টেকনিক্যাল কমিটি আবার এটা রিভিউ করুক।

আগের পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ভোট না আসলেও এই পদ্ধতিতে ভোট আসবে।

জনপ্রিয়

বিদ্যুৎ সংকটে রাজনৈতিক দোষারোপের আড়ালে আসল কারণ কী-মেহেদী বকসী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটেই কি মিলবে সমাধান?

আপডেট : ১২:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আভাস পাওয়া গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ বাংলাদেশি নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে রেমিট্যান্স পাঠানো ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন, তবে ভোটাধিকারের আইনি কাঠামো থাকলেও এর বাস্তবায়ন আজও অধরা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে প্রবাসীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জাতীয় অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার বড় সুযোগ। এটি প্রমাণ করবে যে, রাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবস্থান নির্বিশেষে গণতান্ত্রিক প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কতটা আন্তরিক।

এলএসসিআই-এর চেয়ারম্যান এবং সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ ইউকে-র আহ্বায়ক নাসরুল্লাহ খান জুনায়েদ বলেন, সংবিধানে ভোটাধিকারের নিশ্চয়তা থাকলেও প্রায় দেড় কোটি প্রবাসী গত ৫৫ বছর ধরে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, প্রবাসীরা দেশের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ এবং প্রতিটি সংসদীয় আসনে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ভোটার হতে পারেন। ভারত, মালদ্বীপ ও ভুটানের মতো দেশগুলো তাদের প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছে, এমনকি অনেক দেশ প্রবাসীদের জন্য সংসদে আসনও সংরক্ষণ করেছে।

ইউকে বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ রাখছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনাসমর্থিত সরকার এ নিয়ে উদ্যোগ নিলেও আইনি জটিলতায় তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে আইন পাস হলেও বিগত তিনটি নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার প্রবাসীদের রেমিট্যান্স নিলেও তাদের অধিকার বাস্তবায়নে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। তাই এবারের নির্বাচন থেকেই প্রবাসীদের ভোটাধিকার কার্যকর করার দাবি জানান তিনি।

প্রবাসীদের ভোট প্রদানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১০ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। তিনি জানান, এবার প্রথাগত পোস্টাল ব্যালটের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। আগে ভোটারদের রিটার্নিং অফিসারের কাছে সশরীরে আবেদন করতে হতো, কিন্তু এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজ অবস্থান থেকে আবেদন করা যাবে।

নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, ব্যালট পেপার ছাপানোর পর তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর পরিবর্তে সহকারী রিটার্নিং অফিসার বা সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে ভোটারের কাছে পাঠানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে গড়ে ২৪ শতাংশ অপচয় বা ওয়েস্টেজ রেট থাকে, তবে আমাদের মতো বিস্তৃত ডায়েস্পোরার ক্ষেত্রে এই হার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে সব মার্কা ছাপিয়ে দুই মাস আগেই পাঠিয়ে দেওয়ার একটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে টেকনিক্যাল কমিটি।

ইসি সানাউল্লাহ জানান, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে ৪৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রক্সি ভোটের ধারণা থেকে সরে এসে অনলাইন পদ্ধতির ট্রায়াল পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে কমিশনের। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের এই প্রক্রিয়ায় প্রতি ভোটে প্রায় ৭০০ টাকা ব্যয় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন, এমন কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ হলে তারা জানান, প্রবাসীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগ—সবক্ষেত্রেই বিশাল অবদান রেখেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, আরেকটা প্রস্তাব এসেছে, পৃথিবীর কোন কোন দেশে ব্ল্যাংক ব্যালট আছে।

প্রবাসীরা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসলেও এর স্বীকৃতি মিলছে না।

এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যে পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে তারা ভোট দিতে পারবেন বলে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তারা।

তবু তাদের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও নেই কোনও কার্যকর ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, এখানে আমাদের একজন কমিশনারের কাছ থেকে আরেকটা সিদ্ধান্ত এসেছে, আমরা যদি সব মার্কা শুধু ছাপিয়ে দুই মাস আগেই পাঠিয়ে দেই এবং চূড়ান্ত মার্কাতে যদি শুধু ভোটটা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়, তাহলে হয় কিনা।

আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি টেকনিক্যাল কমিটি আবার এটা রিভিউ করুক।

আগের পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ভোট না আসলেও এই পদ্ধতিতে ভোট আসবে।