Hi

১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রীজ নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে হাজার হাজার মানুষ

শার্শা নাভারণ থেকে গোড়পাড়া ৮ কিলোমিটার সড়কের দুটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ ৪ বছর বন্ধ থাকায়, চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের ৷ যাতায়াত ব্যবস্তা না থাকায় ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে কর্ম জীবি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের যেতে হচ্ছে। কতৃপক্ষ বলছে মামলার জটিলতার কারণে ব্রিজ দুটির নির্মাণ কাজ রন্ধ রয়েছে,বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত নাভারণ বাজার। এ বাজার থেকে গোড়পাড়া পর্যন্ত সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহনসহ অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের য়াতায়াত।
এলাকার মানুষের বহু প্রতিক্ষিত নাভারণ বাজার থেকে গোড়পাড়া পর্যন্ত সড়কের বেতনা নদীর উপর ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি ১২ কোটি ২৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা ব্যয়ে দুটি ব্রীজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ৩ জুলায়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, নিধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি আইসিএল প্রাইভেট লিমিটেড নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। দুটি ব্রীজের নির্মাণ কাজ ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের। বর্ষাকালে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে কর্মজীবি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, এই সড়কে বিখ্যাত মুখিকচুর বাসাবাড়ির বাজার অবস্থিত ৷দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসে এই বাজারে মুখিকচু কিনে নিয়ে বিভিন্ন জেলায় পাঠায়ে চাহিদা মিটিয়ে থাকে ব্রিজ দুটি অচল থাকায় মুখি কচু বিক্র করতে আমাদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে । অসুস্থ হলে হাসপালে নিয়ে যেতে পারি না ,সড়ক দূর্ঘনা ঘটলে ডাক্তার ,এ্যাম্বুলেন্চ পাওয়া যাই না ।
শার্শা উপজেলা প্রকৌশলী, কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, নাভারণ-গোড়পাড়া সড়কের কাজীরবের নদী ও গাতিপাড়া বেতনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন দুটি ব্রিজের কাজ মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ব্রিজ দুটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১২ কোটি ২৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। এছাড়া হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিজাইন সেক্টরের কর্মকর্তারাও সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর দ্রুতই ব্রিজ দুটির নির্মাণকাজ পুনরায় চালু করা হবে।”
জনপ্রিয়

বেনাপোলে মোটরসাইকেল-ভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আহত-২

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ব্রীজ নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে হাজার হাজার মানুষ

আপডেট : ১২:১৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
শার্শা নাভারণ থেকে গোড়পাড়া ৮ কিলোমিটার সড়কের দুটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ দীর্ঘ ৪ বছর বন্ধ থাকায়, চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের ৷ যাতায়াত ব্যবস্তা না থাকায় ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে কর্ম জীবি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের যেতে হচ্ছে। কতৃপক্ষ বলছে মামলার জটিলতার কারণে ব্রিজ দুটির নির্মাণ কাজ রন্ধ রয়েছে,বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত নাভারণ বাজার। এ বাজার থেকে গোড়পাড়া পর্যন্ত সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহনসহ অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের য়াতায়াত।
এলাকার মানুষের বহু প্রতিক্ষিত নাভারণ বাজার থেকে গোড়পাড়া পর্যন্ত সড়কের বেতনা নদীর উপর ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি ১২ কোটি ২৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা ব্যয়ে দুটি ব্রীজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ৩ জুলায়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, নিধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি আইসিএল প্রাইভেট লিমিটেড নামের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। দুটি ব্রীজের নির্মাণ কাজ ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের। বর্ষাকালে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। ৪/৫ কিলোমিটার ঘুরে কর্মজীবি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, এই সড়কে বিখ্যাত মুখিকচুর বাসাবাড়ির বাজার অবস্থিত ৷দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসে এই বাজারে মুখিকচু কিনে নিয়ে বিভিন্ন জেলায় পাঠায়ে চাহিদা মিটিয়ে থাকে ব্রিজ দুটি অচল থাকায় মুখি কচু বিক্র করতে আমাদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে । অসুস্থ হলে হাসপালে নিয়ে যেতে পারি না ,সড়ক দূর্ঘনা ঘটলে ডাক্তার ,এ্যাম্বুলেন্চ পাওয়া যাই না ।
শার্শা উপজেলা প্রকৌশলী, কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, নাভারণ-গোড়পাড়া সড়কের কাজীরবের নদী ও গাতিপাড়া বেতনা নদীর ওপর নির্মাণাধীন দুটি ব্রিজের কাজ মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। ব্রিজ দুটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১২ কোটি ২৪ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। এছাড়া হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিজাইন সেক্টরের কর্মকর্তারাও সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর দ্রুতই ব্রিজ দুটির নির্মাণকাজ পুনরায় চালু করা হবে।”