Hi

০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে জন্মগত নাগরিকত্ব বহাল: ট্রাম্পের অভিবাসন এজেন্ডায় বড় ধাক্কা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি একটি যুগান্তকারী রায়ে জন্মগত নাগরিকত্বের সাংবিধানিক বৈধতাকে বহাল রেখেছে। এই সিদ্ধান্ত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বিধান বাতিল করার পক্ষে ছিলেন। অন্যদিকে, মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং অভিবাসন অধিকার কর্মীরা এই রায়কে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে, এটিকে মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক নীতির বিজয় হিসেবে দেখছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৪তম সংশোধনীর ‘নাগরিকত্ব ধারা’-এর দীর্ঘস্থায়ী ব্যাখ্যাকে পুনর্বহাল করেছে, যা দেশের আইনি কাঠামোতে জন্মগত নাগরিকত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করলো।

মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ‘নাগরিকত্ব ধারা’ অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী অথবা প্রাকৃতিক উপায়ে নাগরিকত্ব লাভকারী এবং মার্কিন বিচারব্যবস্থার অধীনস্থ সকল ব্যক্তিই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এটি গৃহযুদ্ধের পর দাসপ্রথা থেকে মুক্তিপ্রাপ্তদের নাগরিকত্ব প্রদানের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহীত হয়েছিল। এই ধারার মূল লক্ষ্য ছিল, জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা পূর্বপুরুষ নির্বিশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী সকল ব্যক্তিকে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের রাষ্ট্রহীন হওয়া থেকে রক্ষা করা। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সেই ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও উদ্দেশ্যকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময় এবং তার পরেও জন্মগত নাগরিকত্বের ঘোর বিরোধী ছিলেন। তিনি এই ব্যবস্থাকে ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভট আইন’ বলে অভিহিত করতেন। ট্রাম্পের যুক্তি ছিল যে, অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ায় এটি সীমান্ত সুরক্ষা দুর্বল করে, অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এবং এর ফলে ‘অ্যাঙ্কর বেবি’ সমস্যার সৃষ্টি হয়। তিনি জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল বা সীমিত করার জন্য নির্বাহী আদেশ জারির কথা বলেছিলেন, যা দেশে ব্যাপক রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। তার মতে, এই বিধানের কারণে বহু মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে অনুপ্রাণিত হয়, কারণ তাদের সন্তানদের আমেরিকান নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ট্রাম্পের মতো যারা নির্বাহী আদেশ বা সাধারণ আইনের মাধ্যমে জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল করতে চেয়েছিলেন, তাদের সেই প্রচেষ্টাকে কার্যত অসম্ভব করে তুলেছে। সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী পরিবর্তন করতে হলে একটি অত্যন্ত জটিল সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়া প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রায় অসাধ্য। সুপ্রিম কোর্ট দীর্ঘকাল ধরে এই ধারাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে আসছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সকলেই জন্মগত নাগরিকত্ব লাভ করে, ব্যতিক্রম শুধু বিদেশী কূটনীতিকদের সন্তানরা। এই রায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনি কাঠামোতে জন্মগত নাগরিকত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করলো এবং ভবিষ্যতের প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর একটি স্পষ্ট আইনি সীমা টেনে দিল।

এই রায়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনগুলোতে। ট্রাম্প এবং তার সমর্থকরা অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর নীতি গ্রহণের পক্ষে, যেখানে জন্মগত নাগরিকত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। অন্যদিকে, উদারপন্থী এবং মানবাধিকার কর্মীরা জন্মগত নাগরিকত্বকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখেন এবং এর বিলোপকে অমানবিক ও অসাংবিধানিক বলে মনে করেন। এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের যেকোনো প্রেসিডেন্টকে একতরফাভাবে জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করবে, যা অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (ACLU) এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা যুক্তি দেন যে, জন্মগত নাগরিকত্ব লাখ লাখ মানুষের জীবনকে স্থিতিশীলতা দেয় এবং তাদের রাষ্ট্রহীন হওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি জাতিগত সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির মৌলিক নীতিকে সমর্থন করে, যা একটি আধুনিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের জন্য অপরিহার্য। তাদের মতে, এই ধারা বাতিল হলে সমাজে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি হতো, অসংখ্য শিশু মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক মূল্যবোধ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতো। এই রায় নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে, তাদের বাবা-মায়ের আইনি অবস্থা যাই হোক না কেন।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করেছে। যদিও এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন এজেন্ডার জন্য একটি বড় ধাক্কা, তবে অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং নীতি নির্ধারণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই রায় সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর স্থায়ীত্ব এবং এর ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভবিষ্যতে, জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে সাংবিধানিক পরিবর্তনের মতো বিশাল পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। এই রায় আমেরিকান সমাজে একটি দীর্ঘস্থায়ী সাংবিধানিক নীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত করেছে।

জনপ্রিয়

২০২৬ বিশ্বকাপ: স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্নাইপাররা আসলে কী করেন?

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে জন্মগত নাগরিকত্ব বহাল: ট্রাম্পের অভিবাসন এজেন্ডায় বড় ধাক্কা

আপডেট : ০৭:৫৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি একটি যুগান্তকারী রায়ে জন্মগত নাগরিকত্বের সাংবিধানিক বৈধতাকে বহাল রেখেছে। এই সিদ্ধান্ত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই বিধান বাতিল করার পক্ষে ছিলেন। অন্যদিকে, মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং অভিবাসন অধিকার কর্মীরা এই রায়কে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে, এটিকে মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা এবং সাংবিধানিক নীতির বিজয় হিসেবে দেখছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৪তম সংশোধনীর ‘নাগরিকত্ব ধারা’-এর দীর্ঘস্থায়ী ব্যাখ্যাকে পুনর্বহাল করেছে, যা দেশের আইনি কাঠামোতে জন্মগত নাগরিকত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করলো।

মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর ‘নাগরিকত্ব ধারা’ অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী অথবা প্রাকৃতিক উপায়ে নাগরিকত্ব লাভকারী এবং মার্কিন বিচারব্যবস্থার অধীনস্থ সকল ব্যক্তিই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এটি গৃহযুদ্ধের পর দাসপ্রথা থেকে মুক্তিপ্রাপ্তদের নাগরিকত্ব প্রদানের মূল উদ্দেশ্য নিয়ে গৃহীত হয়েছিল। এই ধারার মূল লক্ষ্য ছিল, জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা পূর্বপুরুষ নির্বিশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী সকল ব্যক্তিকে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের রাষ্ট্রহীন হওয়া থেকে রক্ষা করা। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় সেই ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও উদ্দেশ্যকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময় এবং তার পরেও জন্মগত নাগরিকত্বের ঘোর বিরোধী ছিলেন। তিনি এই ব্যবস্থাকে ‘অযৌক্তিক’ এবং ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভট আইন’ বলে অভিহিত করতেন। ট্রাম্পের যুক্তি ছিল যে, অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ায় এটি সীমান্ত সুরক্ষা দুর্বল করে, অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করে এবং এর ফলে ‘অ্যাঙ্কর বেবি’ সমস্যার সৃষ্টি হয়। তিনি জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল বা সীমিত করার জন্য নির্বাহী আদেশ জারির কথা বলেছিলেন, যা দেশে ব্যাপক রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। তার মতে, এই বিধানের কারণে বহু মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে অনুপ্রাণিত হয়, কারণ তাদের সন্তানদের আমেরিকান নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ট্রাম্পের মতো যারা নির্বাহী আদেশ বা সাধারণ আইনের মাধ্যমে জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল করতে চেয়েছিলেন, তাদের সেই প্রচেষ্টাকে কার্যত অসম্ভব করে তুলেছে। সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী পরিবর্তন করতে হলে একটি অত্যন্ত জটিল সাংবিধানিক সংশোধন প্রক্রিয়া প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রায় অসাধ্য। সুপ্রিম কোর্ট দীর্ঘকাল ধরে এই ধারাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে আসছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সকলেই জন্মগত নাগরিকত্ব লাভ করে, ব্যতিক্রম শুধু বিদেশী কূটনীতিকদের সন্তানরা। এই রায় যুক্তরাষ্ট্রের আইনি কাঠামোতে জন্মগত নাগরিকত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করলো এবং ভবিষ্যতের প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর একটি স্পষ্ট আইনি সীমা টেনে দিল।

এই রায়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে, বিশেষ করে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনগুলোতে। ট্রাম্প এবং তার সমর্থকরা অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর নীতি গ্রহণের পক্ষে, যেখানে জন্মগত নাগরিকত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়। অন্যদিকে, উদারপন্থী এবং মানবাধিকার কর্মীরা জন্মগত নাগরিকত্বকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখেন এবং এর বিলোপকে অমানবিক ও অসাংবিধানিক বলে মনে করেন। এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের যেকোনো প্রেসিডেন্টকে একতরফাভাবে জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিলের ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করবে, যা অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (ACLU) এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা যুক্তি দেন যে, জন্মগত নাগরিকত্ব লাখ লাখ মানুষের জীবনকে স্থিতিশীলতা দেয় এবং তাদের রাষ্ট্রহীন হওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি জাতিগত সমতা এবং অন্তর্ভুক্তির মৌলিক নীতিকে সমর্থন করে, যা একটি আধুনিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের জন্য অপরিহার্য। তাদের মতে, এই ধারা বাতিল হলে সমাজে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি হতো, অসংখ্য শিশু মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হতো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক মূল্যবোধ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতো। এই রায় নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকবে, তাদের বাবা-মায়ের আইনি অবস্থা যাই হোক না কেন।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্থাপন করেছে। যদিও এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন এজেন্ডার জন্য একটি বড় ধাক্কা, তবে অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং নীতি নির্ধারণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই রায় সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর স্থায়ীত্ব এবং এর ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভবিষ্যতে, জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল করতে হলে সাংবিধানিক পরিবর্তনের মতো বিশাল পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। এই রায় আমেরিকান সমাজে একটি দীর্ঘস্থায়ী সাংবিধানিক নীতিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের অধিকার সুরক্ষিত করেছে।