Hi

০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতায় ফেরার প্রথম বছরেই ক্রিপ্টো কারেন্সি থেকে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়াল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ক্রিপ্টো কারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা খাত থেকেই তার আয় ১০০ কোটি ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন বিভিন্ন ডিজিটাল সম্পদ এবং ক্রিপ্টো প্রকল্পের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা তার এই অস্বাভাবিক আয়ের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তবে কেবল ক্রিপ্টো কারেন্সি নয়, ট্রাম্পের আয়ের উৎস ছিল বহুমুখী। রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত তার আয়ের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছে। এছাড়া ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন পণ্য বিপণন করে মোটা অংকের মুনাফা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ‘ট্রাম্প-থিমড’ বাইবেল, বিলাসবহুল হাতঘড়ি এবং বিভিন্ন স্মারক সামগ্রী বিশ্ববাজারে বেশ আলোচিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদের প্রভাব এবং ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড ভ্যালু কাজে লাগিয়ে তিনি যেভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন আসীন রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এভাবে বিপুল অর্থ উপার্জন নৈতিকতা এবং স্বার্থের সংঘাতের (Conflict of Interest) প্রশ্নকে আরও জোরালো করে তুলেছে। যদিও ট্রাম্পের সমর্থকরা একে তার ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা এবং ব্র্যান্ডের শক্তিমত্তা হিসেবেই দেখছেন। ঐতিহাসিকভাবেই ট্রাম্পের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, এবারের এই বিশাল অংকের আয় মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই ব্যবসায়িক তৎপরতা এমন এক সময়ে সামনে এল যখন বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার ও এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পোর্টফোলিওতে ক্রিপ্টো কারেন্সির এই ব্যাপক উপস্থিতি ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের ডিজিটাল মুদ্রা নীতিতেও কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদরা এখন গভীর পর্যবেক্ষণ করছেন। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক সাফল্যের এই মেলবন্ধন আগামী দিনগুলোতে ট্রাম্পের প্রশাসনের জন্য নতুন কোনো বিতর্কের সূত্রপাত করে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন যুগের সূচনা: প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের বিশেষ ‘গ্রিন ক্যাপ’ দিচ্ছে বিসিবি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ক্ষমতায় ফেরার প্রথম বছরেই ক্রিপ্টো কারেন্সি থেকে ট্রাম্পের আয় ১০০ কোটি ডলার ছাড়াল

আপডেট : ০৮:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম বছরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ক্রিপ্টো কারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা খাত থেকেই তার আয় ১০০ কোটি ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন বিভিন্ন ডিজিটাল সম্পদ এবং ক্রিপ্টো প্রকল্পের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা তার এই অস্বাভাবিক আয়ের পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

তবে কেবল ক্রিপ্টো কারেন্সি নয়, ট্রাম্পের আয়ের উৎস ছিল বহুমুখী। রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাত তার আয়ের একটি বড় অংশ দখল করে রেখেছে। এছাড়া ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন পণ্য বিপণন করে মোটা অংকের মুনাফা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ‘ট্রাম্প-থিমড’ বাইবেল, বিলাসবহুল হাতঘড়ি এবং বিভিন্ন স্মারক সামগ্রী বিশ্ববাজারে বেশ আলোচিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদের প্রভাব এবং ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড ভ্যালু কাজে লাগিয়ে তিনি যেভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন আসীন রাষ্ট্রপ্রধানের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এভাবে বিপুল অর্থ উপার্জন নৈতিকতা এবং স্বার্থের সংঘাতের (Conflict of Interest) প্রশ্নকে আরও জোরালো করে তুলেছে। যদিও ট্রাম্পের সমর্থকরা একে তার ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা এবং ব্র্যান্ডের শক্তিমত্তা হিসেবেই দেখছেন। ঐতিহাসিকভাবেই ট্রাম্পের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, এবারের এই বিশাল অংকের আয় মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ট্রাম্পের এই ব্যবসায়িক তৎপরতা এমন এক সময়ে সামনে এল যখন বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল মুদ্রার ব্যবহার ও এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত পোর্টফোলিওতে ক্রিপ্টো কারেন্সির এই ব্যাপক উপস্থিতি ভবিষ্যতে মার্কিন সরকারের ডিজিটাল মুদ্রা নীতিতেও কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদরা এখন গভীর পর্যবেক্ষণ করছেন। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক সাফল্যের এই মেলবন্ধন আগামী দিনগুলোতে ট্রাম্পের প্রশাসনের জন্য নতুন কোনো বিতর্কের সূত্রপাত করে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।