Hi

০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবে প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ২০২৬ পর্যন্ত সময়সীমা: জরুরি নির্দেশনা

সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট বা ‘রুখসা আমল’ ইস্যু এবং নবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি শ্রমবাজারের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিয়োগকর্তা ও কর্মীর মধ্যকার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১২ মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, অথবা যারা নতুনভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হওয়ার পরেও ছয় মাসের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট পাননি, তাদের জন্য এই নির্দেশনা অত্যন্ত জরুরি। উল্লিখিত কর্মীদের অবশ্যই ২০২৬ সালের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু বা নবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি সরকার শ্রম আইন মেনে চলার সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং করপোরেট ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

সৌদি আরবের শ্রম বাজারে আইন ও বিধিবিধানের প্রয়োগ কঠোর করার অংশ হিসেবে অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে তাদের কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু ও নবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ সুযোগটি চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে যাতে কোনো কর্মী আইনি জটিলতায় না পড়েন। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত এই সময়সীমার মধ্যে যারা ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা ইস্যু করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীদের আইনি জটিলতা এড়াতে এবং বৈধভাবে কর্মসংস্থান বজায় রাখতে এই নির্দেশনা গুরুত্বের সঙ্গে পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রবাসীদের কল্যাণ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যায় সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।

জনপ্রিয়

প্রেক্ষাপট: বকেয়া বেতনের দাবিতে চট্টগ্রামে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সৌদি আরবে প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে ২০২৬ পর্যন্ত সময়সীমা: জরুরি নির্দেশনা

আপডেট : ০৯:৪৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী কর্মীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট বা ‘রুখসা আমল’ ইস্যু এবং নবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি শ্রমবাজারের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিয়োগকর্তা ও কর্মীর মধ্যকার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব প্রবাসী কর্মীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১২ মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, অথবা যারা নতুনভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হওয়ার পরেও ছয় মাসের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট পাননি, তাদের জন্য এই নির্দেশনা অত্যন্ত জরুরি। উল্লিখিত কর্মীদের অবশ্যই ২০২৬ সালের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু বা নবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি সরকার শ্রম আইন মেনে চলার সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং করপোরেট ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

সৌদি আরবের শ্রম বাজারে আইন ও বিধিবিধানের প্রয়োগ কঠোর করার অংশ হিসেবে অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে তাদের কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু ও নবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ সুযোগটি চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে যাতে কোনো কর্মী আইনি জটিলতায় না পড়েন। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দূতাবাসের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত এই সময়সীমার মধ্যে যারা ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা ইস্যু করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের প্রচলিত শ্রম আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রবাসীদের আইনি জটিলতা এড়াতে এবং বৈধভাবে কর্মসংস্থান বজায় রাখতে এই নির্দেশনা গুরুত্বের সঙ্গে পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রবাসীদের কল্যাণ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যায় সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।