Hi

০৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কঠোর নজরদারি: অনিয়ম হলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা

আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পরীক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে একজন পরীক্ষক যাতে অতিরিক্ত খাতা মূল্যায়নের চাপে ভুল না করেন, সেজন্য খাতা বণ্টনের সংখ্যাও কমিয়ে আনা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, আগে খাতা পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র নম্বর যোগ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এখন থেকে সেই পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন থেকে পুনর্মূল্যায়ন বলতে খাতাটি পুনরায় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করাকে বোঝাবে। যদি কোনো পরীক্ষক অবহেলা করে বা খাতা না দেখে দায়সারাভাবে নম্বর প্রদান করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিজিটাল যুগে হ্যাকিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের শিক্ষা বোর্ডগুলো তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। এবার তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম মোকাবিলায় কঠোর আইনি কাঠামো কার্যকর থাকবে।

শিক্ষা খাতের এই সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। তাদের মতে, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর অবস্থান আগামী দিনের পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরও বেশি নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে ফিরলেন দেড় হাজার নাগরিক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কঠোর নজরদারি: অনিয়ম হলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা

আপডেট : ০৩:৪৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পরীক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে একজন পরীক্ষক যাতে অতিরিক্ত খাতা মূল্যায়নের চাপে ভুল না করেন, সেজন্য খাতা বণ্টনের সংখ্যাও কমিয়ে আনা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, আগে খাতা পুনর্মূল্যায়নের প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র নম্বর যোগ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এখন থেকে সেই পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন থেকে পুনর্মূল্যায়ন বলতে খাতাটি পুনরায় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করাকে বোঝাবে। যদি কোনো পরীক্ষক অবহেলা করে বা খাতা না দেখে দায়সারাভাবে নম্বর প্রদান করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আধুনিক প্রযুক্তি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডিজিটাল যুগে হ্যাকিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের শিক্ষা বোর্ডগুলো তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। এবার তিন সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম মোকাবিলায় কঠোর আইনি কাঠামো কার্যকর থাকবে।

শিক্ষা খাতের এই সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। তাদের মতে, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কঠোর অবস্থান আগামী দিনের পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরও বেশি নির্ভরযোগ্য ও ত্রুটিমুক্ত করে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।