Hi

০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি খুনে অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের বহু চর্চিত ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে বড় মাপের সাফল্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF)। রবিবার, হাদি খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে এ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হল দুই মূল অভিযুক্তকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম রাহুল ওরফে ফয়সাল কিরম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। এই ফয়সালই হাদি খুনের মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ফয়সালের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালীতে। আর আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই গ্রেপ্তারি নিয়ে পুলিশ আর কোনও বিশদ জানায়নি। ঠিক কোথা থেকে তাদের ধরা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এ দিকে আহত হাদিকে ইউনূস সরকার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও পাঠিয়েছিল। ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। হাদির স্মৃতিতে রাষ্ট্রীয় শোক পর্যন্ত ঘোষণা করেছিল ইউনূস সরকার। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছিল, হাদি খুনের মূল চক্রী এই ফয়সালই।

ঘটনার পরে গা ঢাকা দিতেই তারা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিল বলে অনুমান। অবশেষে এসটিএফের জালে ধরা পড়ল প্রতিবেশী দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীরা। এই গ্রেপ্তারির ফলে হাদি খুনের তদন্তে নতুন মোড় আসবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

জনপ্রিয়

চলে গেলেন ‘গজনি’ খ্যাত বিশিষ্ট খল অভিনেতা প্রদীপ সিং রাওয়াত

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হাদি খুনে অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৭:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের বহু চর্চিত ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে বড় মাপের সাফল্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF)। রবিবার, হাদি খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে এ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার করা হল দুই মূল অভিযুক্তকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম রাহুল ওরফে ফয়সাল কিরম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন। এই ফয়সালই হাদি খুনের মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বা ডিবি।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ফয়সালের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালীতে। আর আলমগীরের বাড়ি ঢাকায়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই গ্রেপ্তারি নিয়ে পুলিশ আর কোনও বিশদ জানায়নি। ঠিক কোথা থেকে তাদের ধরা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এ দিকে আহত হাদিকে ইউনূস সরকার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও পাঠিয়েছিল। ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। হাদির স্মৃতিতে রাষ্ট্রীয় শোক পর্যন্ত ঘোষণা করেছিল ইউনূস সরকার। এই ঘটনার তদন্তে নেমে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছিল, হাদি খুনের মূল চক্রী এই ফয়সালই।

ঘটনার পরে গা ঢাকা দিতেই তারা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিল বলে অনুমান। অবশেষে এসটিএফের জালে ধরা পড়ল প্রতিবেশী দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীরা। এই গ্রেপ্তারির ফলে হাদি খুনের তদন্তে নতুন মোড় আসবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।