Hi

০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ বছর কারাবাসে হুমায়ুন কবির, পরিবারের পাশে গেলেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে রাজনৈতিক কারণে কারাবন্দী। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ কারাবাসের অন্যতম এই ঘটনাটি বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে একটি বড় অবিচার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর এয়ারপোর্ট থানার কাওলায় হুমায়ুন কবিরের পারিবারিক বাসভবনে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু ও তার স্ত্রী। তারা হুমায়ুন কবিরের মায়ের সাথে দীর্ঘ সময় আলাপ করেন এবং তার পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, “হুমায়ুন কবির আমাদের দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির জন্য একজন অবিচল প্রেরণা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জ্বলন্ত উদাহরণ। আমরা তার মুক্তির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো এবং তার পরিবারের পাশে সব সময় থাকবো।”

তিনি আরও জানান, “হুমায়ুন কবিরের মা তারেক রহমানের কাছে বিশেষভাবে আবেদন করেছেন যাতে তার ছেলে দ্রুততম সময়ে এই কারা জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে আবারো তার বুকের মাঝে ফিরে আসে। আমি এই বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করব এবং তার জামিনের জন্য আইনি ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দ্রুত নেওয়া হবে।

হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই মোঃ মানিক হোসেন বলেন, “আমাদের পরিবারের কাছে ১৬ বছর যেন এক অমরুর কালো ছায়া। ভাইকে এই দীর্ঘ সময় দূরে রেখে আমাদের প্রতি দিনের জীবনে যে বেদনা, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমরা বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের জয় আসবেই, এবং সেই দিনের জন্য আমরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছি। আজকের এই মনোরম সাক্ষাৎ আমাদের জন্য একটি শক্তির উৎস, যা আমাদের লড়াইকে আরো দৃঢ় করবে।”

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, হুমায়ুন কবিরকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তবুও তার পরিবার ও সহকর্মীরা অবিচল থেকে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসেবেই হুমায়ুন কবিরের মুক্তির দাবিকে জোরালো করা হবে।

রংপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত চার, আহত অন্তত ১৮

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

১৬ বছর কারাবাসে হুমায়ুন কবির, পরিবারের পাশে গেলেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু

আপডেট : ১০:০৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে রাজনৈতিক কারণে কারাবন্দী। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ কারাবাসের অন্যতম এই ঘটনাটি বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে একটি বড় অবিচার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর এয়ারপোর্ট থানার কাওলায় হুমায়ুন কবিরের পারিবারিক বাসভবনে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু ও তার স্ত্রী। তারা হুমায়ুন কবিরের মায়ের সাথে দীর্ঘ সময় আলাপ করেন এবং তার পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, “হুমায়ুন কবির আমাদের দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির জন্য একজন অবিচল প্রেরণা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জ্বলন্ত উদাহরণ। আমরা তার মুক্তির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো এবং তার পরিবারের পাশে সব সময় থাকবো।”

তিনি আরও জানান, “হুমায়ুন কবিরের মা তারেক রহমানের কাছে বিশেষভাবে আবেদন করেছেন যাতে তার ছেলে দ্রুততম সময়ে এই কারা জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে আবারো তার বুকের মাঝে ফিরে আসে। আমি এই বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করব এবং তার জামিনের জন্য আইনি ও রাজনৈতিক উদ্যোগ দ্রুত নেওয়া হবে।

হুমায়ুন কবিরের ছোট ভাই মোঃ মানিক হোসেন বলেন, “আমাদের পরিবারের কাছে ১৬ বছর যেন এক অমরুর কালো ছায়া। ভাইকে এই দীর্ঘ সময় দূরে রেখে আমাদের প্রতি দিনের জীবনে যে বেদনা, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমরা বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের জয় আসবেই, এবং সেই দিনের জন্য আমরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছি। আজকের এই মনোরম সাক্ষাৎ আমাদের জন্য একটি শক্তির উৎস, যা আমাদের লড়াইকে আরো দৃঢ় করবে।”

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, হুমায়ুন কবিরকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। তবুও তার পরিবার ও সহকর্মীরা অবিচল থেকে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামের অংশ হিসেবেই হুমায়ুন কবিরের মুক্তির দাবিকে জোরালো করা হবে।