Hi

০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিখা অনির্বাণে নতুন নৌপ্রধানের শ্রদ্ধা: সমুদ্রসীমার রক্ষায় আধুনিক ব্লু ওয়াটার নেভি গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকার

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে এই শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব সম্পন্ন হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে নৌবাহিনীপ্রধান শিখা অনির্বাণের পরিদর্শন বইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন এবং বীর শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।

শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে নবনিযুক্ত নৌপ্রধান বনানীর নৌসদর দপ্তরে গমন করেন। সেখানে পৌঁছালে নৌ সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এরপর নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় নৌসদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা রক্ষা এবং ‘সুনীল অর্থনীতি’ বা ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নতুন নৌপ্রধান তাঁর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আইএসপিআরের সূত্রে জানা যায়, জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বঙ্গোপসাগরের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ‘ব্লু ওয়াটার নেভি’ হিসেবে গড়ে তুলতে নৌবাহিনীপ্রধান দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নৌবাহিনীতে নতুন প্রজন্মের আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন অব্যাহত থাকবে। নতুন নৌপ্রধানের দূরদর্শী রূপকল্প অনুযায়ী, নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে অত্যাধুনিক ফ্রিগেট, শক্তিশালী সাবমেরিন, উন্নত প্রযুক্তির সোনার ব্যবস্থা এবং নিখুঁত রাডার সিস্টেম। এসব প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

কমলগঞ্জে ফলন্ত কমলাবাগান ধ্বংসের ঘটনা: সরেজমিন তদন্ত করল উচ্চপর্যায়ের কমিটি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শিখা অনির্বাণে নতুন নৌপ্রধানের শ্রদ্ধা: সমুদ্রসীমার রক্ষায় আধুনিক ব্লু ওয়াটার নেভি গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকার

আপডেট : ০৪:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে এই শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব সম্পন্ন হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে নৌবাহিনীপ্রধান শিখা অনির্বাণের পরিদর্শন বইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন এবং বীর শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।

শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে নবনিযুক্ত নৌপ্রধান বনানীর নৌসদর দপ্তরে গমন করেন। সেখানে পৌঁছালে নৌ সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এরপর নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় নৌসদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা রক্ষা এবং ‘সুনীল অর্থনীতি’ বা ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নতুন নৌপ্রধান তাঁর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আইএসপিআরের সূত্রে জানা যায়, জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বঙ্গোপসাগরের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি শক্তিশালী, আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ‘ব্লু ওয়াটার নেভি’ হিসেবে গড়ে তুলতে নৌবাহিনীপ্রধান দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নৌবাহিনীতে নতুন প্রজন্মের আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন অব্যাহত থাকবে। নতুন নৌপ্রধানের দূরদর্শী রূপকল্প অনুযায়ী, নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে অত্যাধুনিক ফ্রিগেট, শক্তিশালী সাবমেরিন, উন্নত প্রযুক্তির সোনার ব্যবস্থা এবং নিখুঁত রাডার সিস্টেম। এসব প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।