Hi

০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৪:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরির লক্ষ্যে ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার সকালে জেলার দুটি নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ২৭টি হলে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এতে ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষাটি পরিচালিত হয়।

পরীক্ষার দিন সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এমন মেধা যাচাইমূলক আয়োজনের মাধ্যমে তারা নিজেদের যোগ্যতা ও সামর্থ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে এটি তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন এবং নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। তাঁরা উপস্থিত থেকে পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। আয়োজকদের মতে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই এই আয়োজনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তিমূলক পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তাদের ভাষ্যমতে, নিয়মিত এমন আয়োজন হলে শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণেই সফল হবে না, বরং বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

আয়োজক সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটানো ছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। জ্ঞান, নৈতিকতা ও যোগ্যতায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা বড় ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কিশোরকণ্ঠের এই মেধাবৃত্তি কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

জাপান সফর ফলপ্রসূ, নতুন উচ্চতায় সম্পর্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

আপডেট : ০৪:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, প্রতিভা বিকাশ এবং পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরির লক্ষ্যে ভোলায় কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার সকালে জেলার দুটি নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ২৭টি হলে একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এতে ভোলা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পরীক্ষাটি পরিচালিত হয়।

পরীক্ষার দিন সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়। কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এমন মেধা যাচাইমূলক আয়োজনের মাধ্যমে তারা নিজেদের যোগ্যতা ও সামর্থ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে এটি তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন এবং নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। তাঁরা উপস্থিত থেকে পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন। আয়োজকদের মতে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা মেধাবীদের খুঁজে বের করে তাদের যোগ্যতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলাই এই আয়োজনের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তিমূলক পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। তাদের ভাষ্যমতে, নিয়মিত এমন আয়োজন হলে শিক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণেই সফল হবে না, বরং বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

আয়োজক সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটানো ছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য। জ্ঞান, নৈতিকতা ও যোগ্যতায় সমৃদ্ধ একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা বড় ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কিশোরকণ্ঠের এই মেধাবৃত্তি কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।