Hi

০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়েট উপাচার্য ভবনে তালা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নিয়োগের ২০ দিন পর তিনি উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে দপ্তরে প্রবেশ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে ভবনের নিচে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টার মধ্যে তাকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার আলটিমেটাম দেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় দুপুর ১২টার পর তারা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। শুধু তালা দিয়েই তারা ক্ষান্ত হননি, উপাচার্য ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের সামনে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ দেখা যায়। সেখানে শিক্ষার্থীরা ‘নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের দাবি মানতে হবে জানিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিরোধিতার মুখে থাকা উপাচার্য বর্তমানে ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

চুয়েট উপাচার্য ভবনে তালা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট : ০২:৫০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নিয়োগের ২০ দিন পর তিনি উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে দপ্তরে প্রবেশ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে ভবনের নিচে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টার মধ্যে তাকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার আলটিমেটাম দেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় দুপুর ১২টার পর তারা ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। শুধু তালা দিয়েই তারা ক্ষান্ত হননি, উপাচার্য ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের সামনে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ দেখা যায়। সেখানে শিক্ষার্থীরা ‘নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের দাবি মানতে হবে জানিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। নিয়োগের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের একটি অংশের বিরোধিতার মুখে থাকা উপাচার্য বর্তমানে ভবনের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।