Hi

০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে আড়াই হাজার ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি আটক

চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক সেবনের সরঞ্জাম এবং নগদ ৭০ হাজার টাকাসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও চাঁদপুর সদর মডেল থানা-পুলিশের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক রহিম ওই কলোনীর বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ২০২১ ও ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সদর মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, রহিম, ফারহান রানা ও জয় নামের তিনজনের একটি চক্র এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এই চক্রের অন্যতম সহযোগী ফারহান রানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছিল। বুধবারের অভিযানে রহিমকে আটক করা সম্ভব হলেও ফারহান রানা ও জয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান। অভিযানের সময় রহিমের কাছ থেকে ইয়াবা ও নগদ টাকার পাশাপাশি দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। এর একদিন পর রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় ওই মাদক কারবারের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে রহিম এলাকায় মাদকের ভয়াবহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। স্থানীয়দের দাবি, রহিমের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও নামধারী রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। তারা ধারণা করছেন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা হলে মাদকের মূল গডফাদারসহ জড়িত অন্যদের পরিচয় ও নেটওয়ার্কের তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় জড়িত রহিম, ফারহান রানা ও জয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হবে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দ হওয়া অন্যান্য আলামতসহ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। তবে স্থানীয়দের উত্থাপিত যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

চাঁদপুরে আড়াই হাজার ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি আটক

আপডেট : ০৮:০১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় বিশেষ যৌথ অভিযান চালিয়ে আড়াই হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক সেবনের সরঞ্জাম এবং নগদ ৭০ হাজার টাকাসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও চাঁদপুর সদর মডেল থানা-পুলিশের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক রহিম ওই কলোনীর বাসিন্দা আবুল কালামের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও ২০২১ ও ২০২৩ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সদর মডেল থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে কলোনী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ মো. আব্দুর রহিম (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, রহিম, ফারহান রানা ও জয় নামের তিনজনের একটি চক্র এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এই চক্রের অন্যতম সহযোগী ফারহান রানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছিল। বুধবারের অভিযানে রহিমকে আটক করা সম্ভব হলেও ফারহান রানা ও জয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান। অভিযানের সময় রহিমের কাছ থেকে ইয়াবা ও নগদ টাকার পাশাপাশি দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। এর একদিন পর রহিমকে ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় ওই মাদক কারবারের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে রহিম এলাকায় মাদকের ভয়াবহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না। স্থানীয়দের দাবি, রহিমের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও নামধারী রাজনৈতিক নেতাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। তারা ধারণা করছেন, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা হলে মাদকের মূল গডফাদারসহ জড়িত অন্যদের পরিচয় ও নেটওয়ার্কের তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মু. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় জড়িত রহিম, ফারহান রানা ও জয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হবে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দ হওয়া অন্যান্য আলামতসহ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। তবে স্থানীয়দের উত্থাপিত যোগসাজশের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।