Hi

০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনের হয়রানি বন্ধের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন

অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীকে হয়রানি বন্ধ, তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার এবং শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির পক্ষে প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ভোলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের ভোলা জেলা শাখার আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ সংগঠনের স্থানীয় নেতারা। এর মধ্যে বোরহানউদ্দিন উপজেলার মাস্টার মো. আব্দুল হাই, দৌলতখান উপজেলার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাজিউর রহমান, শিক্ষক নেতা মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো. ওবায়দুল্লাহ, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুর রহমান, সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আইয়ুব আলী এবং জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমির হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আদেশ, নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান এবং ঈদুল ফিতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সামিউল ইসলাম প্রামাণিকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে দেলোয়ার হোসেন আজিজী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাত ১১টা ২২ মিনিটে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ১৫ থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে মাত্র ১৫ দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিদর্শক অধ্যক্ষ আজিজীর প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন। এমন অস্বাভাবিক দ্রুততা ও ঘটনাক্রম প্রমাণ করে যে, তাকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি এবং শিক্ষকদের দাবির প্রতি তার কণ্ঠ স্তব্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সমাবেশ থেকে অবিলম্বে তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার এবং ৪ নভেম্বরের কর্মসূচি বানচালের অপচেষ্টা বন্ধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ওই কর্মসূচিতে সব শিক্ষক-কর্মচারীকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এইচএসসি পরীক্ষায় এবারও দেশসেরা নরসিংদীর আব্দুল কাদির মোল্লা কলেজ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনের হয়রানি বন্ধের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন

আপডেট : ০৩:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীকে হয়রানি বন্ধ, তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার এবং শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির পক্ষে প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ভোলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের ভোলা জেলা শাখার আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ সংগঠনের স্থানীয় নেতারা। এর মধ্যে বোরহানউদ্দিন উপজেলার মাস্টার মো. আব্দুল হাই, দৌলতখান উপজেলার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাজিউর রহমান, শিক্ষক নেতা মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো. ওবায়দুল্লাহ, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদুর রহমান, সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আইয়ুব আলী এবং জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমির হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আদেশ, নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান এবং ঈদুল ফিতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মো. সামিউল ইসলাম প্রামাণিকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলে দেলোয়ার হোসেন আজিজী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রাত ১১টা ২২ মিনিটে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ১৫ থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে মাত্র ১৫ দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিদর্শক অধ্যক্ষ আজিজীর প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন। এমন অস্বাভাবিক দ্রুততা ও ঘটনাক্রম প্রমাণ করে যে, তাকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি এবং শিক্ষকদের দাবির প্রতি তার কণ্ঠ স্তব্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সমাবেশ থেকে অবিলম্বে তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার এবং ৪ নভেম্বরের কর্মসূচি বানচালের অপচেষ্টা বন্ধের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ওই কর্মসূচিতে সব শিক্ষক-কর্মচারীকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।