Hi

০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৪ সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

এটি ক্রমান্বয়ে আরও ঘনীভূত হচ্ছে এবং আগামীকাল সোমবারের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সবকটি সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কি.মি. দক্ষিণে, কক্সবাজার থেকে ৬৫৫ কি.মি. দক্ষিণে, মোংলা থেকে ৭৬০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা বন্দর থেকে ৭০০ কি.মি. দক্ষিণ দিকে অবস্থান করছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬ টায় নিম্নচাপটি (১৫.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০.৬° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কি.মি। এর ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ (এক) নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি.মি. এলাকার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি., যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপটির কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, এই নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, তবে আরব সাগরে থাকা আরেকটি লঘুচাপ আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে সেই নামটিও ‘অর্ণব’ হতে পারে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদফতরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-০১) এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাব্য প্রভাবে আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। পরবর্তীতে ২৯ অক্টোবর থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি সতর্কভাবে চলাচল করতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

থাপ্পড়ম্যান শাহজালাল রুমিকে নিয়ে নায়লা নাঈমের চুমুর বার্তা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৪ সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

আপডেট : ০৮:০৩:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

এটি ক্রমান্বয়ে আরও ঘনীভূত হচ্ছে এবং আগামীকাল সোমবারের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সবকটি সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কি.মি. দক্ষিণে, কক্সবাজার থেকে ৬৫৫ কি.মি. দক্ষিণে, মোংলা থেকে ৭৬০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা বন্দর থেকে ৭০০ কি.মি. দক্ষিণ দিকে অবস্থান করছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬ টায় নিম্নচাপটি (১৫.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০.৬° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কি.মি। এর ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ (এক) নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি.মি. এলাকার মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি., যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপটির কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, এই নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, তবে আরব সাগরে থাকা আরেকটি লঘুচাপ আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে সেই নামটিও ‘অর্ণব’ হতে পারে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদফতরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-০১) এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাব্য প্রভাবে আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। পরবর্তীতে ২৯ অক্টোবর থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি সতর্কভাবে চলাচল করতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।