Hi

০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দাবিতে ছয় ধাপের কর্মসূচি ঘোষণা

সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন এবং চাকরির অষ্টম ও চতুর্দশ বছর পূর্তিতে দুটি উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করার দাবিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শতভাগ পদোন্নতি চালুরও জোর দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি আদায়ে ছয় ধাপের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহীন এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নীতিনির্ধারণী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি।

শিক্ষক নেতারা সংবাদ সম্মেলনে তাদের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ অবিলম্বে বাতিল এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সংগঠনের দাবি, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব যৌক্তিক সমাধান দ্রুত প্রয়োজন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন তারা।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৮ নভেম্বর দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। একই দিনে প্রয়াত শিক্ষক ফাতেমা আপার রুহের মাগফিরাত ও গ্রেনেড হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ওই দিনই সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করবেন শিক্ষকরা। এরপর ১৭ ডিসেম্বর বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অথবা শাহবাগে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সমিতির, যার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলার শিক্ষক প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসকের কাছে দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেবেন।

সংগঠনটি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বর্তমান কর্মসূচির পরও যদি দাবির বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত না হয়, তবে শিক্ষকরা কঠোর অবস্থানে যাবেন। সেক্ষেত্রে জাতীয় প্রেস ক্লাব অথবা শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি ও আমরণ অনশন পালন করার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা তাদের এই লড়াই অব্যাহত রাখবেন বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।

গাড়িচাপায় গুরুতর আহত অস্ট্রেলিয়ার এমপি হেলেনের দুই পা-ই বাদ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দাবিতে ছয় ধাপের কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট : ০৫:১১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেড বাস্তবায়ন এবং চাকরির অষ্টম ও চতুর্দশ বছর পূর্তিতে দুটি উচ্চতর গ্রেড নিশ্চিত করার দাবিতে রাজপথে নেমেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শতভাগ পদোন্নতি চালুরও জোর দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি আদায়ে ছয় ধাপের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন শাহীন এবং লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নীতিনির্ধারণী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি।

শিক্ষক নেতারা সংবাদ সম্মেলনে তাদের হয়রানিমূলক বদলির আদেশ অবিলম্বে বাতিল এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ভিত্তিহীন বিভাগীয় মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। সংগঠনের দাবি, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব যৌক্তিক সমাধান দ্রুত প্রয়োজন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন তারা।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৮ নভেম্বর দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কালো ব্যাজ ধারণ করবেন। একই দিনে প্রয়াত শিক্ষক ফাতেমা আপার রুহের মাগফিরাত ও গ্রেনেড হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ওই দিনই সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করবেন শিক্ষকরা। এরপর ১৭ ডিসেম্বর বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অথবা শাহবাগে মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সমিতির, যার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলার শিক্ষক প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসকের কাছে দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেবেন।

সংগঠনটি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বর্তমান কর্মসূচির পরও যদি দাবির বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত না হয়, তবে শিক্ষকরা কঠোর অবস্থানে যাবেন। সেক্ষেত্রে জাতীয় প্রেস ক্লাব অথবা শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি ও আমরণ অনশন পালন করার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা তাদের এই লড়াই অব্যাহত রাখবেন বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নেতারা।