Hi

০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পিকারের এপিএস সবুজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, বিভিন্ন মহলের নিন্দা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৭:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের (বীরবিক্রম) এপিএস আকবর হোসেন সবুজের বিরুদ্ধে দুটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভোলার লালমোহন উপজেলার সুশীল সমাজ, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ধরনের সংবাদ প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে আমি তেমন গুরুত্ব দিইনি।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, তথ্য-প্রমাণহীন কিছু কাল্পনিক ঘটনার সাথে সবুজের নাম জড়িয়ে তার মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার স্বপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য দলিল বা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার জানান, সবুজের সাথে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিন ধরে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ স্থানীয় জনসাধারণ সবুজের বিরুদ্ধে এমন প্রচারণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, সংবাদমাধ্যমগুলোর উচিত বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা এবং অভিযোগের পক্ষে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, তথ্য যাচাই ছাড়া যেকোনো সংবাদ প্রচার সাংবাদিকতার নীতিমালা বিরোধী।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক, জুয়া এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে স্পিকারের জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তিনি এমন অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন। তার ভাষ্যমতে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, সংসদ সচিবালয়ে দাখিলকৃত কিছু কার্ডে উল্লেখ করা বিষয়গুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের, যা বর্তমান সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করা বিভ্রান্তিকর। এপিএস সবুজ আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তার এবং তার আত্মীয়-স্বজনদের কাছে নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল। সৎভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতিকে তিনি স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন এবং এ ধরনের অপপ্রচারে ভীত না হয়ে নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তার কঠোর অবস্থান রয়েছে।

জনপ্রিয়

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব চায় বিশেষ কমিটি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

স্পিকারের এপিএস সবুজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, বিভিন্ন মহলের নিন্দা

আপডেট : ০৭:২০:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের (বীরবিক্রম) এপিএস আকবর হোসেন সবুজের বিরুদ্ধে দুটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভোলার লালমোহন উপজেলার সুশীল সমাজ, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই ধরনের সংবাদ প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে আমি তেমন গুরুত্ব দিইনি।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, তথ্য-প্রমাণহীন কিছু কাল্পনিক ঘটনার সাথে সবুজের নাম জড়িয়ে তার মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার স্বপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য দলিল বা তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার জানান, সবুজের সাথে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিন ধরে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ স্থানীয় জনসাধারণ সবুজের বিরুদ্ধে এমন প্রচারণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, সংবাদমাধ্যমগুলোর উচিত বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা এবং অভিযোগের পক্ষে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, তথ্য যাচাই ছাড়া যেকোনো সংবাদ প্রচার সাংবাদিকতার নীতিমালা বিরোধী।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক, জুয়া এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে স্পিকারের জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই তিনি এমন অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন। তার ভাষ্যমতে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, সংসদ সচিবালয়ে দাখিলকৃত কিছু কার্ডে উল্লেখ করা বিষয়গুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের, যা বর্তমান সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করা বিভ্রান্তিকর। এপিএস সবুজ আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে তার এবং তার আত্মীয়-স্বজনদের কাছে নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল। সৎভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এসব পরিস্থিতিকে তিনি স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন এবং এ ধরনের অপপ্রচারে ভীত না হয়ে নিজের দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তার কঠোর অবস্থান রয়েছে।