দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন জনপদে তীব্র গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ সময় নিষিদ্ধ ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র তথ্যানুসারে, নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিহ আল-ফাওকার বহির্ভাগে এই গোলার আঘাত হানে। বিশেষ করে নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল ব্যবহৃত হয়েছে এবং পরবর্তীতে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় একই ধরনের হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন, হারিস এবং হাদাসার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও ভারী গোলার বর্ষণ করেছে ইসরায়েল। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ-র বরাত দিয়ে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে লেবানন সেনাবাহিনী। তাদের একটি বিশেষ দল মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ইসরায়েলের নিক্ষেপ করা দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে।
লেবানন কর্তৃপক্ষের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ৪,৩৮৬ জন নিহত এবং ১২,৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও বাস্তুচ্যুত হয়েছেন দশ লাখেরও বেশি মানুষ।
এর আগে গত জুনে সংঘাতপূর্ণ লেবাননি ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণের শর্তে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে ওই সমঝোতার পরেও দেশটিতে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যা আঞ্চলিক উত্তজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
রিপোর্টার নাম: 





















