Hi

০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলের দাম নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৪:১৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ জন দেখেছে

তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়ন (উত্তর) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম। তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, তেলের দাম শুনে পছন্দের বাইক কেনার ইচ্ছা আর নেই। এই পোস্টের জের ধরেই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোমবার উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মামুন হোসেন ও সদস্যসচিব শরীফ হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই বহিষ্কার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী নেতা নাঈম। তিনি দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) দেওয়া হয়নি এবং গঠনতন্ত্র অনুসরণ করা হয়নি। কেবল তেলের দাম নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করায় তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে বলে তার অভিযোগ।

এদিকে, ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মামুন হোসেন। তিনি জানান, যেহেতু ইউনিয়ন কমিটি তাদের স্বাক্ষরে গঠিত হয়েছে, তাই বহিষ্কারের ক্ষমতা তাদের রয়েছে। পাশাপাশি জেলা কমিটির মৌখিক নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

তেলের দাম নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

আপডেট : ০৪:১৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়ন (উত্তর) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম। তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, তেলের দাম শুনে পছন্দের বাইক কেনার ইচ্ছা আর নেই। এই পোস্টের জের ধরেই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সোমবার উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মামুন হোসেন ও সদস্যসচিব শরীফ হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংগঠনের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এই বহিষ্কার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী নেতা নাঈম। তিনি দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) দেওয়া হয়নি এবং গঠনতন্ত্র অনুসরণ করা হয়নি। কেবল তেলের দাম নিয়ে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করায় তাকে শাস্তি পেতে হয়েছে বলে তার অভিযোগ।

এদিকে, ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মামুন হোসেন। তিনি জানান, যেহেতু ইউনিয়ন কমিটি তাদের স্বাক্ষরে গঠিত হয়েছে, তাই বহিষ্কারের ক্ষমতা তাদের রয়েছে। পাশাপাশি জেলা কমিটির মৌখিক নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।