প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে। শনিবার সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)-এর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ‘কানেক্টিং নলেজ, পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর বেটার গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
ড. তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ঋণনির্ভর ও পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক অর্থনীতির চক্রে আটকা পড়ে আছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি টেকসই ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপর বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমেই অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব। বিশেষ করে জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতে যে স্বজনপ্রীতি ও পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, তা ভেঙে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কড়া সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, শাসকরা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হওয়ার ঘটনায় এটি পরিষ্কার যে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছিল। প্রতিষ্ঠান বলতে কেবল আইন বা সাংগঠনিক কাঠামো নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত রীতি-রেওয়াজ ও মূল্যবোধকেও গুরুত্ব দিতে হবে। জুলাইয়ের আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা পূরণে জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গঠন অপরিহার্য।
তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে, যা থেকে শিক্ষা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা—সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে দেশ গড়া সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা অংশ নেন। সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ‘কানেক্টিং নলেজ, পলিসি অ্যান্ড প্র্যাকটিস ফর বেটার গভর। চাকরির আরও তথ্য: তিতুমীর বলেন, অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে উৎপাদন ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিদ্যুৎ খাতের সংকটের কারণে জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে একদিকে বেকারত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে বৈষম্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শাসনব্যবস্থার সঙ্গে মূলত ক্ষমতা, নীতি নির্ধারণ ও নীতি বাস্তবায়নের বিষয়গুলো জড়িত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ ফলাফল অর্জন করলেই তা সামাজিকভাবে সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
রিপোর্টার নাম: 
























